ভিটামিনের অভাব বুঝতে শারীরিক বিভিন্ন লক্ষণের দিকে নজর দিতে পারেন। শরীরে যে কোনো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের অভাব দেখা দিলে তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়, দেখা দিতে পারে নানান সমস্যা। চুল পড়ে যাওয়া, স্নায়ুতে ব্যথা, পেশিতে ব্যথা কিংবা দুর্বলতা, অবসাদ, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি এমনই কিছু শারীরিক সমস্যার উদাহরণ। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে এখানে সাত ধরনের ভিটামিনের অভাবের শারীরিক লক্ষণ সম্পর্কে জানানো হলো।

শুষ্ক ঠোঁট: ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া কিংবা ফেটে যাওয়া ঘটনা শুধু শীতকালেই ঘটে। তবে শরীরের ভিটামিন বি টুয়েলভয়ের অভাব হলে সব ঋতুতেই এই সমস্যায় ভুগতে হবে। হাঁস-মুরগি খাওয়া বাড়ালে ভিটামিন বি টুয়েলভয়ের অভাব কমতে পারে।
অকালে চুল পাকা: অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার একটি কারণ হতে পারে শরীরে কপারের অভাব। এজন্য মাশরুম, তিলের বীজ, কাজুবাদাম ইত্যাদি কপারযুক্ত খাবার খেতে পারেন।

খুশকি: চুলে খুশকি হওয়ার মানে হলো শরীরে ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাব রয়েছে। ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত তিসির দানা, আখরোট, চিয়া ইত্যাদি খেতে পারেন।

মলিন চুল: চুলে মলিন ভাব দেখা দিলে ধরে নিতে পারেন বিটামিন বি’র অভাব রয়েছে। চুলের উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে খাদ্যাভ্যাসে ডিম, হাঁস-মুরগি, গরু-খাসির মাংস ইত্যাদি যোগ করে দেখতে পারেন।
কাটাছেঁড়া: সহজেই ত্বক কেটে গেলে বুঝতে হবে শরীরে ভিটামিন সি’র অভাব রয়েছে। সিট্রাস বা টকজাতীয় খাবার ভিটামিন সি’র অভাব মেটাতে পারে।

অবসাদ: যথেষ্ট বিশ্রাম নেয়ার পরও কিছু মানুষ সবসময় অবসাদগ্রস্ত থাকেন, যার কারণ হতে পারে ভিটামিন ডি’র অভাব। শীতকালে এই সমস্যা বেশি চোখে পড়ে। সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খেতে হবে। আর ভিটামিন ডি’র আদর্শ উৎস হলো সূর্যের আলো। তাই সকালের রোদে হাঁটার অভ্যাস গড়তে হবে।