দেশবাসী, ছাত্র-ছাত্রী ও আমাদের নেতা-কর্মীদের প্রতি বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বিকেলে ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক দলীয় সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এ সময় তিনি বলেন, আজকে কিছুক্ষণ আগে আমি আমাদের নেত্রী পার্টির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা তার নির্দেশনা চেয়েছি। আমরা দেশবাসীর কাছে, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আমাদের নেতা-কর্মীদের কাছে কী নির্দেশনা থাকবে। তিনি পরিষ্কারভাবে অল্প কথায় বলেছেন, ‘ধৈর্য্য ধরতে হবে, অ্যালার্ট থাকতে হবে।’—এই দুটি শব্দ তিনি ব্যবহার করেছেন।
আমিও আমাদের নেতা-কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে সবাইকে ধৈর্য ধরার জন্য এবং পরবর্তী সময়ে যেকোনো প্রকার কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেজন্য সবাইকে সর্তকভাবে অপেক্ষা করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।
আমরা আক্রমণকারী হিসেবে চিহ্নিত হতে চাই না। আমরা ক্ষমতায় আছি, আমরা কেন অশান্তি চাইবো, আমরা দেশে শান্তি চাই।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার দল জড়িত বলে অভিযোগ করে ওবায়দুল কাদের।
তিনি আরো বলেন, আমীর খসরু মাহমুদের ফোনালাপে মির্জা ফখরুলের সমর্থন দেয়ায় বিএনপির ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেছে। এর ফলে প্রমাণ হলো একটি অরাজনৈতিক আন্দোলনে আপনারা জড়িত। বিএনপি ও তার দলের দোসররা শিক্ষার্থীদের এ অরাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর ভর করে সরকার পতনের ষড়যন্ত্র করছে। শনিবার ও রোববারের হামলার পর এটা প্রমাণিত যে মির্জা ফখরুল ও তার দল এ হামলায় জড়িত।





