জাতীয় নির্বাচনের কয়েকমাস আগে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণসংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে ঐক্যবদ্ধ শক্তির মহড়া দিতে চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি লোকসমাগম ঘটিয়ে গণসংবর্ধনাকে জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দলটি। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বিকেলে তিনটায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসংবর্ধনায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসংবর্ধনাস্থলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও শেখ হাসিনার শৈশব থেকে বর্তমান পর্যন্ত চিত্র প্রদর্শনীর স্টল উদ্ধোধন করেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, খুব সংক্ষিপ্ত একটা অনুষ্ঠান হবে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা বেগম সাজেদা চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। আমরা দলের পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দন পত্র পাঠ করবো। এছাড়া আর তেমন কোনো কিছু হবে না।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসংবর্ধনাস্থলের প্রস্তুতি পরিদর্শনের সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, গণভবনে বিশেষ বর্ধিত সভায় তিনি (শেখ হাসিনা) নেতাকর্মীদের জন্য দিক নির্দেশামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এবারে গণসংবর্ধনায় হয়তো তিনি জনগণের উদ্দেশে আগামী জাতীয় নিবার্চন সম্পর্কে বার্তা দেবেন।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে দেওয়া গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান জনতার সমুদ্রে পরিণত হবে বলে আশা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণসংবর্ধনা হবে। সেদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেশরত্ন শেখ হাসিনার সংবর্ধনায় জনতার সমুদ্র তৈরি হবে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই সংবর্ধনাস্থল প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সেখানে কয়েক লাখ মানুষের জমায়েত হবে বলে জানান তিনি।