বিশ্বকাপ ২০১৮ রাশিয়াতে সেমিফাইনাল খেলা শেষে এখন ফাইনাল খেলার দিকে তাকিয়ে বিশ্ববাসী। ১৫ জুলাইয়ে ফাইনাল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে।ক্রোয়েশিয়া বনাম ফ্রান্স এর খেলায় যদি ক্রোয়েশিয়া বিশ্বকাপ জিতে তাহলে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টের নগ্ন হওয়ার ঘোষণা দিলেন। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘আসছে ১৫ জুলাইয়ের ফাইনাল বিশ্বকাপ জিতবো আমরা। আমাদের হাতে উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফি’ এমনটাই ভবিষ্যৎবাণী করলেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্র্যাবার। ‘ন্যাটো’ সামিটে যোগ দিতে আসা ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট গ্র্যাবার আজ এসব কথা বলেন। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠে ক্রোয়েশিয়া।
এদিকে ক্রোয়েশিয়া বিশ্বকাপ জিতলে নগ্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন বর্তমান দুনিয়ার সবচেয়ে ‘হট’ প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্র্যাবার। তার এই ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা গতকাল অনেক রাত অবধি ‘ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া’ ম্যাচ দেখেছি। ম্যাচ শেষে অনেক উল্লাস-নাচানাচি করেছি। এজন্য আজ ন্যাটো সামিটে যোগদান করতেও দেরি হয় আমার। গ্র্যাবার ন্যাটো বৈঠকে ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রনের সঙ্গে একই টেবিলে বসেন। এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায় গ্র্যাবারকে।
এর আগেও ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্র্যাবার ফুটবল বিশ্বে আলোড়ন তৈরি করেন নিজ দলের জার্সি পরে স্টেডিয়ামে হাজির হয়ে। এবং দলের গোল দেখার পর উল্লাসে নেচে। সেদিন ছিল রাশিয়া-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ। একই ‘ভিআইপি’ বক্সে বসে গ্র্যাবার ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেখছিলো খেলা। গ্র্যাবার উল্লাস করছিলেন কিন্তু পুতিন ছিলেন বিমর্ষ। পুতিনের রাশিয়া সেদিন ট্রাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হেরেছিল ক্রোয়েশিয়ার কাছে।
আগামী ১৫ জুলাই বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হচ্ছে ক্রোয়েশিয়া। এখন দেখা যাক ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্র্যাবাবের ভবিষ্যৎবাণী কতখানি সত্য হয়! এদিকে, ক্রোয়েশিয়া বিশ্বকাপ জিতলে নগ্ন হবার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। তবে নগ্ন হওয়ার ঘোষণার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
দুনিয়ার সবচেয়ে ‘হট’ প্রেসিডেন্ট হিসেবে পরিচিত কলিন্ডা। ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ক্রোয়েশিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রথম নারী তথা দেশের চতুর্থ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন কলিন্ডা গ্রাবার-কিতারোভিচ। সময় নষ্ট না করে পরের দিন থেকেই নিজের কার্যভার সামলাতে শুরু করে দেন জনপ্রিয় এই নেত্রী।
আকর্ষণীয় রূপের সুবাদে গোড়া থেকেই আলোকচিত্রীদের লেন্স সব সময় তাঁকে খুঁজে বেড়ায়। বিকিনি শোভিতা কলিন্ডার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুফান তোলে। অনেকের মতে, বিশ্বে এমন রূপসী এবং যৌন আবেদনময়ী রাষ্ট্রনেতা এ যাবত দেখা যায়নি। তবে সৈকতে অবসর যাপনের সময় প্রেসিডেন্টের লাস্যময়ী রূপ ঠিক কবে ক্যামেরাবন্দি হয়েছিল, সেই ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত সঠিক তথ্য মেলেনি।
১৯৯৬ সালে জ্যাকভ কিতারোভিচের সঙ্গে বিয়ে হয় কলিন্ডা গ্রাবারের। তাঁদের দুই সন্তান, মেয়ে ক্যাটারিনা (১৭) এবং ছেলে ল্যুকা (১৫)। কলিন্ডা ক্রোয়েশিয়ান ছাড়াও ইংরেজি, স্প্যানিশ ও পর্তুগীজ ভাষায় দুরস্ত। এছাড়া জার্মান, ফ্রেঞ্চ ও ইতালিয়ান ভাষা তিনি বুঝতে পারেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় যৌন আবেদনপূর্ণ রূপসী প্রেসিডেন্টের ছবি প্রকাশিত হতেই অভিনন্দন ও প্রশংসার ঝড় বয়ে যায়। কারও কারও অভিমত, দেশের সর্বোচ্চ পদে বসার আগেই এই ছবিগুলি তোলা হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট নিজে অবশ্য এই ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছেন।
কলিন্ডাকে নিয়ে বেশ কিছু মজার ঘপটনা প্রচলিত আছে। তার মধ্যে একটি হলো ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগ্রেব-এ এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে মানবাধিকার সংগঠনের এক নেতা পোশাকের নিয়ন্ত্রণ হারান। মঞ্চের ওপর ফোটো সেশন চলাকালীন প্রেসিডেন্টের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ক্রোয়েশিয়ান হেলসিঙ্কি মানবাধিকার কমিটির নেতা আইভ্যান জোনিমির সিক্যাক-এর প্যান্ট খুলে যায় এবং তিনি যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়েন। নিন্দুকদের ভাষ্য, সুন্দরী কলিন্ডার উপস্থিতিই এই পোশাক বিভ্রাটের কারণ। বলা বাহুল্য, ঘটনার কারণে প্রেসিডেন্টের মুখে কোনও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।





