প্রেম এবং পরকীয়া অনেক নোংরা একটি পর্যায়ে চলে গেছে বর্তমান সময়ে।প্রতিনিয়ত দেশে- বিদেশে ঘটছে পরকিয়ার ঘটনা। পরকিয়ায় আসক্ত হয়ে স্বামী চলে যাচ্ছে অন্য নারীকে নিয়ে আবার স্ত্রী উধাও হচ্ছে প্রেমিকের হাত ধরে এমন ঘটনা ঘটছে । ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আবার স্বামীর অবর্তমানে অন্য পুরুষের সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে।এমনি একটি ঘটনা ঘটেছে ভারতের দক্ষিণ ২৪ পরগনায় । জানা গেছে

মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশী কিশোরের সম্পর্ক। আর সেই সম্পর্কের জেরে খুন হতে হলো ভারতের দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের সাত বছরের এক শিশুকে।সম্প্রতি জয়নগরের রাজাপুর মণ্ডল পাড়ার সাত বছরের কিশোর সাধন মণ্ডল আচমকা নিখোঁজ হয়ে যায়। এর পর সাধনের বাবা গোষ্ঠ মণ্ডল জয়নগর থানায় ছেলের নিখোঁজ হওয়ার ডায়েরি করেন।

পরে ওই এলাকারই একটি বালির স্তূপের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় নিখোঁজ কিশোরের বস্তাবন্দি মরদেহ। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ নিখোঁজ কিশোরের প্রতিবেশী শচীন্দ্রনাথের নবম ও সপ্তম শ্রেণির দুই কিশোর ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এদের দু’জনকে আটক করতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য।

পুলিশের জেরায় পনেরো বছর বয়সী ওই কিশোর জানায়, তার সঙ্গে মৃত শিশুর মা সাগরী মণ্ডলের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক ছিল। প্রায়দিন দু’জনে মিলে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতো।

একদিন সন্ধ্যায় সাধন বাড়ি ফিরেই তার মা ও বছর পনেরোর ওই কিশোরকে অশালীন অবস্থায় দেখতে পায়। এর পরেই দু’জনে মিলে শ্বাসরোধ করে খুন করে সাধনকে। তার পরে তাকে বস্তাবন্দি করে বালির নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে মরদেহটি অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। কিন্তু বাড়ির লোকজন চলে আসায় তাদের সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

সাধনকে খুনের অপরাধে তার মা সাগরী মণ্ডল ও প্রতিবেশী কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার পরেই অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালান এলাকার বাসিন্দারা। অভিযুক্ত দু’জনেরই কড়া শাস্তি চেয়ে সরব হয়েছেন তারা।তারা ২ জনে করাগারে রয়েছে । তাদেরকে আদালতে উঠানো হবে এবং বড় ধরনের শাস্তির আবেদন করা হবে বলে পুলিশ দাবি করেন।