পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের নাগরিকত্ব বাতিল করলো দেশটির ন্যাশনাল ডাটাবেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অথরিটি। দেশটির তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নাসির উল মুলকের নির্দেশের পর তার পরিচয়পত্র বাতিল করা হয়। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের নাগরিকত্ব বাতিল করেছে দেশটি। শনিবার (০৯জুন) তার জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিল করেছে পাকিস্তানের ন্যাশনাল ডেটাবেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অথরিটি। দেশটির তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নাসির উল মুলকের নির্দেশের পর তার পরিচয়পত্র বাতিল করা হয়।

এর আগে পারভেজ মোশাররফের পাসপোর্ট বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল দেশটির একটি আদালতও। তবে সে নির্দেশ এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। কিন্তু নাগরিকত্ব বাতিল হওয়ার ফলে তার পাসপোর্ট কার্যত মূল্যহীন হয়ে পড়েছে।সম্প্রতি দেশটির সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে আগামী সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন মোশাররফ। ফলে একদিকে নাগরিকত্ব না থাকা অন্যদিকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কারণে সাংবিধানিক সংকট দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে দুবাই অবস্থানরত মোশাররফের নাগরিকত্ব বাতিল হওয়ায় তাকে দেশে ফেরানো সহজ হবে বলে মনে করছেন পাকিস্তানের কূটনীতিকরা।তবে ভোটের আগে মোশাররফ পাকিস্তানে ফিরতে পারেন বলে জানিয়েছে তার দল এপিএমএল। প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।

আগামী ১৩ জুন পারভেজকে আদালতে হাজিরা দিতে বলেছে দেশটির শীর্ষ আদালত। ওই সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছে শীর্ষ আদালত।এপিএমএল জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের চিত্রল আসন থেকে ভোটে লড়তে পারেন মোশাররফ। করাচি থেকেও লড়তে পারেন তিনি।

১৯৯৯ সালে সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখল করা মোশাররফ ২০০৮ সালে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন। তারপর একের পর এক ফৌজদারি মামলার মুখে পড়েন তিনি। ২০১৬ সালের মার্চ মাসে তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তখন থেকে তিনি সেখানেই রয়েছেন।