বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে আরব দেশ গুলোর মধ্যে কয়েক মাস ধরেই ।এর মধ্যে অন্যতম সৌদি আরব । প্রতিবেশি দেশগুলোর মশ্যে সম্পর্ক ভাল নেই সৌদি অরবের ।বিশেষ করে কাতারের সাথে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বছর খানেক আগে কাতারের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে অভিযোগ এনে কাতারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও সীমান্ত অবরোধের ঘোষণা দেয় সৌদি আরব। তার পর থেকে দু দেশের মধ্যে বিভিন্ন সময় উত্তেজনা চলছে ।তারি প্রতিফলনে শোনা যাচ্ছে কাতার সরকার তার দেশের জনগনকে সৌদি আরবে হজ, ওমরা পালনের জন্য বাধা প্রধান করেছে ।জানা গেছে
ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...
কাতারের বিরোধীদলীয় নেতা শায়খ সুলতান বিন সাহিম কাতারের জনগণকে হজ ও ওমরা পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কাতার সরকারের সমালোচনা করেছেন।
শুক্রবার এক বয়ানে শায়খ সুলতান বলেন, দোহা সরকার কাতারের জনগণকে হজ ও ওমরা পালনে বাধা প্রদান করে বড় পাপ করেছে। খবর আল আরাবিয়ার।
শায়খ সুলতান বিন সাহিম বলেন, যদিও সৌদি সরকার রাজনৈতিক মতবিরোধের কারণে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছে, তবে তারা আমাদের দেশের মানুষদের পবিত্র ওমরা পালনের পথ করে দিয়েছে।
কিন্তু নতুন করে অভিযোগ উঠেছে, কাতার সরকার নাগরিকদের ওমরা পালনে বাধা প্রদান করে আসছে। এ কারণে তিনি দোহাকে দায়ী করেন এবং সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, অবশ্যই এমন একদিন আসবে, যেদিন কাতারের মানুষ তোমাদের এ পদক্ষেপ ওহজ-ওমরা আদায়ে প্রতিরোধের হিসাব নেবে। কতই না বড় গোনাহ- যা তোমরা তোমাদের কাঁধে বহন করছো! অথচ তোমরা আল্লাহকে ভয় করছো না এবং নিজের স্বার্থ ব্যতীত অন্য কোনো চিন্তাও করছো না।
পাকিস্তানের সৌদি দূতাবাস বলছে, গত বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে কাতার দূতাবাসের এক বিবৃতিতে কাতারি নাগরিকদের ওমরা পালনে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে শুধুমাত্র সৌদি সরকারকে দোষী করা হতাশাজনক।
প্রসঙ্গত, গত বছরের জুন মাস থেকে কাতারের ওপর সব ধরনের অবরোধের পর সেখানে সরাসরি বিমান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। কাতারের হজযাত্রীরা সরাসরি বিমানে করে হজ পালন করতে আসতে পারত না। এটাই প্রথম ঘটনা এক বছরের মধ্যে দুদেশের সর্ম্পক অবনতির পর কাতারের ওমরাহ পালনকারীদরে জন্য সৌদি অরবে আসার অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার।
কিন্তু সৌদি হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ করে বলেন, কাতার সরকার তার দেশের নাগরিকদের ওমরা পালন করতে বাধা সৃষ্টি করছে।তার জন্য তার ওমরা পালনে কম আসছে। তবে এ বিষয়ে কাতার সরকার এখনো মূখ খুলেনি।





