গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই উক্তি করেন বলে দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম আশা করেন শিগগির প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন হবে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

‘আমি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, আমি আলটিমেটামের কাছে মাথানত করি না’। এই উক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করার পরও কোটা বিরোধী ‘ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ দাবি আদায়ে সরকারকে আলটিমেটাম প্রদান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ওই উক্তি করেছেন।সূত্র জানায়, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী প্রমুখ কোটা নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে একটি পদ্ধতি চালু রয়েছে। এখন সেখান থেকে নতুন কিছু করতে আলোচনা পর্যালোচনা দরকার। ইতোমধ্যে এসব কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু আলটিমেটাম দিয়ে দাবি আদায়ের পথ বেছে নেয়াটা ঠিক নয়। তিনি বলেন, ক্লাস না হলে ক্ষতি হবে শিক্ষার্থীদের।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা নিয়ে আমি তো আগেই সিদ্ধান্ত দিয়ে দিয়েছি। আমরাতো বলেছি, আমরা এটা করবো।

কিন্তু এখনই এটা করতে হবে? এ জন্য তো সময় লাগবে। আমি তো বলেছি কোটা থাকবে না। এরপরও আলটিমেটাম, আন্দোলনের হুমকি দেয়া হচ্ছে। এটার তো কোনো যুক্তি নেই।বৈঠকের একটি সূত্র জানায়, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, কোনো কোনো মহল কোটার বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

এটা দ্রুত করা যায় কি-না সে বিষয়ে ভাবা দরকার।বৈঠকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের বিষয়টি উঠে আসে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমালোচনা করছে করুক।

যৌক্তিক কোনো সমালোচনা থাকলে করতে পারে।এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সম্প্রচারের জন্য বাইরে টাকা দিতে হতো। এতে প্রচুর পয়সা ব্যয় হতো। এখন সে টাকা আমাদের সাশ্রয় হবে।গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোটার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে, হয়ত কিছু দিনের মধ্যে হয়ে যাবে।