হ্যাঁ পিরিয়ড বন্ধ রাখা যায়। পিরিয়ড শুরুর তিন দিন আগে থেকে Remens ট্যাবলেট দিনে তিনবার খেতে পারেন। এভাবে যতদিন ইচ্ছা পিরিয়ড সাময়িক বন্ধ রাখতে পারেন। আর ঔষধ খাওয়া বাদ দিলেই পিরিয়ড শুরু হবে। মেয়েদের পিরিয়ড হঠাৎ বন্ধ হওয়ার কারণ কি??
উত্তরঃ আপনি আপনার বয়স কিংবা বিবাহিত কিনা তা উল্লেখ করেননি। এই সব প্রশ্নে এই গুলো উল্লেখ করা উচিত। তবে ধরে নিচ্ছি আপনি অবিবাহিত। তাহলে বলা যেতে পারে পিরিয়ড বন্ধ হওয়াটা খুব একটা সমস্যা না। অনেকেরই এরকম হয়। বিয়ের পর নিয়মিত মিলিত হতে থাকলে ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যায়। তবে সব থেকে ভালো হয় অনিয়মিত পিড়িয়ডের ব্যাপারে ডাক্তার দেখিয়ে পরীক্ষা করে নিলে। তাহলে সঠিক ভাবে জানতে পারবেন। তবে এটা নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না কারণ মানসিক সমস্যাও পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার একটি অন্যতম কারণ হতে পারে।
মেয়েদের ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার কিছু কারণ নিচে উল্লেখ করা হল:
প্রজনন হরমোনগুলোর প্রাকৃতিক ক্রম হ্রাস পাওয়া : সাধারণত ৩০ দশকের শেষের দিকে মহিলাদের ডিম্বাশয় থেকে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ কমে যায়। এ সময় ডিম্বাশয়ে ডিম্বস্ফোটন প্রক্রিয়াটি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। আর ডিম্বস্ফোটনের পর প্রোজেস্টেরন হরমোনের জোয়ার আসাটাও দুর্বল হয়ে যায়। ফলে সার্বিকভাবে এ সময় সন্তান ধারণ ক্ষমতা অনেকখানি কমে যায়। ৪০-এর দশকে এটা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। মাসিক চক্র অনিয়মিত হতে থাকে এবং নানাবিধ উপসর্গ সৃষ্টি হতে থাকে। একপর্যায়ে মেয়েদের পিরিয়ড একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়।
জরায়ু অপসারণ বা হিস্টেরেকটমি : বিভিন্ন কারণে মহিলাদের জরায়ু অপসারণ করে ডিম্বাশয় সংরক্ষণ করা হলে নিয়মিত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হলেও অন্যান্য লক্ষণ-উপসর্গ প্রশমিত হয় না। কিন্তু হিস্টেরেকটমির পাশাপাশি ডিম্বাশয় দুটিও অপসারণ করা হলে অবিলম্বে পিরিয়ড বন্ধ র লক্ষণ প্রকাশ পায়।





