ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ যোদ্ধা ও তাদের অনুগত সেনাবাহিনী সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশে জিলজাল-২ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ইয়েমেনের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আল-মাসিরা জানিয়েছে, শনিবার রাতে ইয়েমেনের যোদ্ধারা এ হামলা চালায়। তবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত খবর জানায় নি চ্যানেলটি।
এর আগে শনিবারই ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাজান শহরে আটটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়। বলা হচ্ছে- সৌদি আরবের বেশিরভাগ ভূখণ্ড এখন ইয়েমেনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়।
এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইয়েমেনের বিশেষজ্ঞরা তৈরি করেছেন এবং এ ধরনের ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের আরামকো তেল কোম্পানিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিতে পারে।
আরামকো হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল স্থাপনা এবং পুরো ইউরোপের শতকরা ৭০ ভাগ তেলের চাহিদা পূরণ করে। এমন হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রও তেল সংকটে পড়বে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইয়েমেন যুদ্ধের জন্য প্রতিদিন সৌদি আরবকে ২০ কোটি ডলার খরচ করতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে এ খচর বছরে ৭ হাজার ২০০ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।
ইয়েমেন যুদ্ধের কারণে সৌদি আরব গত এক দশকের মধ্যে এবারই প্রথম বিদেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে।
এছাড়া, অভ্যন্তরীণভাবে সব জিনিসের দাম বেড়েছে এবং বিদেশী শ্রমিকদের আয়ের ওপর ব্যাপকহারে ট্যাক্স বসানো হয়েছে। সূত্র: পার্সটুডে।





