সম্পত্তির লোভে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাদপুকুরিয়া গ্রামে আপন দু’বোন হালিমা খাতুন ও লতাকে চার ভাই মিলে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছে। দু বোনকে ৫ দিন ঘরে আটকে রেখে তাদের উপর নির্যাতন করে চার ভাই। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বুধবার তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে নিজেদের পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্য জমি বুঝে নিতে গিয়ে দু’বোনকে ৫দিন আটকে রাখে আপন চার ভাই সাগান্না ইউনিয়নের বাদপুকুরিয়া গ্রামের মৃত মোবারক মন্ডলের চার ছেলে জাহাঙ্গির, আলমগীর, রবিউল ও শামিম। ৫ দিন ধরে হালিমা ও লতাকে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে মারপিট করা হয়।

এতে তাদের দুই হাত ভেঙ্গে যায়। হালিমার স্বামীর বাড়ি ঝিনাইদহ সদরের গান্না ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামে আর লতার স্বামীর বাড়ি পাশের জেলা চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার ফরিদপুর গ্রামে। হালিমা ও লতা জানান, তারা দুই বোন গত ৫দিন আগে বাদপুকুরিয়া গ্রামে আসেন পিতা মোবারক মন্ডলের জমির ফারাজ নিতে। পিতার বাড়ি পৌছানোর পর রাত ১১টার দিকে আপন চার ভাই পাষান্ড জাহাঙ্গির, আলমগীর, রবিউল ও শামিম লাঠি, রড ও হাতুড়ি দিয়ে আমাদের পিটিয়ে জখম করে। এ সময় তার চাচা আতর আলী ও আলী হোসেন ভাইদের সমর্থন করেন।
গুরুতর অসুস্থ্য ও অসহায় দুই বোনকে পাঁচদিন কেউ চিকিৎসা পর্যন্ত দেয়নি। খবর পেয়ে হালিমা বেগমের স্বামী সোনা খন্দকার এসে দুই বোনকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ডাক্তারা জানিয়েছেন, হালিমা বেগম ও তার বোন লতা বেগম চিকিৎসাধীন আছে। তাদের দু’জনের দু’হাত ভেঙ্গে গেছে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন আছে। এ ঘটনায় হালিমা বেগমের স্বামী সোনা
খন্দকার ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেছেন। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদ শেখ জানান, এঘটনায়সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।