আরব আমিরাতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে অপরাধে জড়িয়ে এক হাজার শ্রমিক এখন এখন বিভিন্ন কারাগারে আছে বলেও জানান প্রবাসীকল্যাণ সচিব। বলেন, ‘বেশ কিছু শ্রমিকদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণেই বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারটি খুলতে দেরি হচ্ছে।’

যেসব বাংলাদেশি কারাগারে আছে তাদের ৫৬ জন খুনের মামলার আসামি এবং এদের ১৪ জন ফাঁসির আসামি বলেও জানান সচিব।

নমিতা হালদার জানান, আমিরাতে শ্রমবাজার খোলার আলোচনায় বারবার এই বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে সে দেশের কর্তৃপক্ষ। বলেন, ‘তারা আমাদের দুর্বলতাগুলো কিন্তু তারা বার বার বলার চেষ্টা করেছে। এসব আমাদের বার বার পিছিয়ে দেয়।’

‘যে কথা আমাদেরকে শুনতে হয়েছে যে, যেকোন ক্ষেত্রেই আমরা ১৯ ক্যাটাগরিতে আমরা গৃহকর্মী পাঠাই না কেন আমরা শৃঙ্খলায় না থাকলে আমাদের জন্য সমস্যা থেকেই যাবে। ’

যারা জেলে আছে তাদের ফেরাতে সরকারের কোনো উদ্যোগ আছে কি না, এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, ‘আমাদের উদ্যোগ আছে। আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তবে আদালতের বিষয় তো, এ কারণে বিষয়টি সময়সাপেক্ষ।’

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘আমিরাতের মন্ত্রী আমাদের বলেছেন অতীতে যেহেতে অনেক বিশৃঙ্খলা হয়েছে এ কারণে তারা ৫০০ রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি বাতিল করেছে। সেই ৫০০ এজেন্সি বন্ধ করে দিয়েছে। একটি মাত্র এক্সিকিউটিভ অর্ডারে তারা বন্ধ করেছে। শুধুমাত্র তাকবির সেন্টারের মাধ্যমে তারা লোক নেবে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএমইটির মহাপরিচালক সেলিম রেজা প্রমুখ।