পরকীয়ায় মেতেছিলেন বউ। হাতে-নাতে প্রেমিক সহ বউকে পাকড়াও করে গ্রামের মোড়লদের দিয়ে সালিশি সভা বসিয়ে তাঁদের পরস্পরকে সাতে পাকে বাঁধতে বাধ্য করলেন বউর স্বামী। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ঘটনাটি ভারতের জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের হাসুয়াপাড়ার ঘটনা৷ তবে পুলিশকে না জানিয়ে ওই বধূর স্বামী ও গ্রামের মোড়লরা যেভাবে নিজেরাই হাতে আইন তুলে নিয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ তবে বধূর পরকীয়া থেকে সাতপাকে বাঁধা পড়ার রসালো কাহিনী রাজগঞ্জের গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে৷

স্থানীয় সূত্রের খবর, সালিশিসভার নিদান মেনে সাত পাকে বাঁধা পড়তে বাধ্য হয়েছেন বীণা রায় ও হরিপদ রায়৷ বীণার স্বামী মলিনচন্দ্র রায়৷ ঘটনাটি বুধবার রাতের৷ কানাঘুষোয় স্ত্রীর পরকীয়ার কথা কানে গিয়েছিল মলিনচন্দ্রর৷ তিনিও তক্কে তক্কে ছিলেন৷

রাতে ঘুমনোর ভান করে বিছানায় শুয়েছিলেন তিনি৷ রাত তখন সওয়া বারোটা৷ দরজায় টোকার আওয়াজ৷ পা টিপে টিপে চুপিসারে দরজা খুললেন বীণা৷ ঘরে প্রবেশ ‘প্রেমিক’ হরিপদর৷ ফিসফাস কথা শুরু৷ এরপরই দু’জনে ঘনিষ্ঠ হতে যাবেন- ঠিক এমন সময় মলিন শীতের রাতের অন্ধকারকে খান খান করে চিৎকার শুরু করেন,‘ধরে ফেলেছি পরকীয়া। ধরে ফেলেছি৷

নিজের স্ত্রী ও পরপুরুষকে ঘরবন্দী করে রেখে তিনি রাতের অন্ধকারেই যান গ্রামের মোড়লদের বাড়ি৷ মলিনের বাড়ির সামনে রাতেই বসে বিচারসভা৷ সেখানেই পরকীয়ার জেরে বধূর সঙ্গে তাঁর প্রেমিকের সাত পাকে বাঁধার নিদান দেন মোড়লরা৷ বধূকে বাধ্য করা হয় লিখিত মুচলেকা লিখে তাঁদের অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করতে৷ মলিন বলেন, ‘‘এমন বউ থাকার চেয়ে না থাকা ঢের ভালো৷ ওঁর আর কোনও দায়িত্ব আমার রইল না৷’’