রোহিঙ্গারা যাতে ন্যায়বিচার পায় ও নিরাপদে স্বদেশে ফিরতে পারে এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে।রোহিঙ্গারা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় বোঝা। যুক্তরাষ্ট্র চায় রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমার ফেরত নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়াবে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে আছে।’ ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক দূত স্যাম ব্রাউনবেক ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট এসব কথা বলেন। তারা বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা নিঃসন্দেহে জাতিগত নিধনের শিকার। ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিসেবেও তারা নির্যাতিত।

তাই রোহিঙ্গারা যাতে ন্যায়বিচার পায় ও নিরাপদে স্বদেশে ফিরতে পারে এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে।’বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন ‘ট্রানজিট ক্যাম্প’ পরিদর্শন এবং রোহিঙ্গাদের সাথে আলাপ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে মার্কিন দূতদের দলটি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি কোনারপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে যান। সেখানেও তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং খোঁজখবর নেন।

এ সময় তাদের সাথে ইউএনসিআর ও আইওএমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্যাম ব্রাউনবেকসহ মার্কিন প্রতিনিধি দলটি ঢাকা থেকে বিশেষ বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছান। সেখানেও তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং খোঁজখবর নেন।