ইযুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সিরিয়ায় স্থিতিশীল অবস্থা ফেরাতে সৌদি সৈন্য পাঠাতে প্রস্তুত, আগ্রহী ও সক্ষম বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবাইর। ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ করে লেজেগোবরে অবস্থা সৌদি আরবের। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

এর মধ্যেই সিরিয়ায় সৈন্য পাঠানোর বিষয়ে নিজেদের আগ্রহের কথা জানালো সৌদি সরকার।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরব সিরিয়ায় সৈন্য পাঠানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে।

আদেল আল-জুবাইর বলেন, সৈন্য পাঠানোর প্রস্তাব নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছেও একই রকম প্রস্তাব দিয়েছিল সৌদি।রিয়াদে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা সিরিয়া সংকটের শুরু থেকেই সৈন্য পাঠাতে চেয়েছিলাম এবং এখন তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করছি।

সৌদি ২০১৬ সালে সিরিয়ায় কথিত ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্তের বিরুদ্ধে লড়তে ভূমিতে সৈন্য পাঠাতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছিল।তবে ২০১৪ সাল থেকেই আইএসকে পরাজিত করতে সৌদির বিমান বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে।

কিন্তু ভূমিতে তাদের কোনো সৈন্য পাঠানো হয়নি।একদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশের সমন্বয়ে বাহিনী গঠন করে তাদেরকে সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের জায়গায় নিযুক্ত করার পরিকল্পনা করছেন।

এর পরপরই সৌদি সিরিয়ায় সৈন্য পাঠানোর কথা জানালো। এই জোটে মিশরও থাকতে পারে।আলজাজিরার প্যাটি কালহেন ওয়াশিংটন থেকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ সৌদির পরিকল্পনা নিয়ে ‘ভীষণ সতর্ক হয়ে পড়বে’।

’ইয়েমেনের সরকারকে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে টিকিয়ে রাখতে সৌদি আরব ২০১৫ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার নয়টি দেশ নিয়ে সেখানে সামরিক অভিযান শুরু করে।

তিনি বলেন, ‘মার্কিন সেনাবাহিনীর নেতৃস্থানীয়দের মধ্যে সৌদি বাহিনীর সামর্থ্য নিয়ে বিরাট উদ্বেগ রয়েছে। ইয়েমেনে তাদের অবস্থা দেখুন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের তথ্য ও রশদ সরবরাহ করে সহায়তা করছে।