ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী: দীর্ঘ দিন থেকে রাজশাহীর-৬ চারঘাট-বাঘায় আ.লীগের রাজনৈতিক কোন্দল চলামান। তবে স্থানীয় সাংসদ ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম নৌকার হাল ধরেছেন শক্ত করে । তবে নতুন ভাবে জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড: ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

লায়েব উদ্দিন লাভলু প্রতিদ্বন্ধি হিসেবে মাটে। নির্বাচনের লক্ষে মাঠে নেই বাঘা পৌর মেয়র আক্কাস আলী ও চারঘাট থানা আ’লীগের সাবেক সভাপতি রায়হানুল হক।

জেলার চারঘাট-বাঘায় আ’লীগ সমর্থিত শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কোন্দল দীর্ঘ দিনের। বিশেষ করে বাঘায় সাবেক পৌর মেয়র আক্কাস আলী ও জেলা আ.লীগ নেতা অ্যাড: লায়েব উদ্দিন লাভলু একে অপরের প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন। চারঘাট উপজেলা প্রথম সংসদ সদস্য রায়হানুল হক থাকলেও পরে এ দুই উপজেলার রাজশাহী ৬ আসনে প্রথম সাংসদ ও পরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে এলাকায় জনপ্রিয়তা অর্জন করেন শাহরিয়ার আলম।

স্থানীয় সুত্রে, পূর্বের রাজনৈতিক কোন্দল তা এখনও বিরাজমান। চারঘাট উপজেলায় গত পৌর নির্বাচনে সাবেক এমপি রায়হানের স্ত্রী নার্গিস আক্তার মেয়র পদে নির্বাচন করে পরাজয়ের পর তিনি এখন নিরব ভূমিকায়।

ফলে বর্তমান সাংসদ শাহরিয়ার আলম, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিষোদাগার করছেন রায়হান। গত সংসদ নির্বাচনে সাবেক এমপি রায়হান শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নামেন এবং নির্বাচনে পরাজিত হন। আক্কাস আলীর সমর্থকরা জানান, জেলা ও উপজেলার দলীয় নেতাদের সাথে কোন্দলের কারণে চারঘাট পৌর নির্বাচনে নার্গিস এবং বাঘা পৌর আক্কাস আলী দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পরেও নির্বাচিত হতে পারেননি।

অপরদিকে নির্বাচন হাল ছাড়তে নারাজ আক্কাস আলীর প্রতিদ্বন্ধী ও বিগত উপজেলা নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী অ্যাড: লায়েব উদ্দিন লাভলু । তিনি বর্তমান সাংসদের বিপক্ষে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টায় থাকলেও আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রধান যাকে মনোনয়ন দিবেন তার পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন বিভিন্ন স্থানে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে আ.লীগের নেতাকর্মীর মধ্যে শাহারিয়ার আলমের গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে বেড়েছে। তদুপরি নানামুখি উন্নয়ন এবং ব্যাক্তিগত অর্থায়নে সাধারণ ও অসহায় মানুষের সাথে কাজ করে ঝাচ্ছেন।

মূলত তার বিরুদ্ধে শক্ত কোন প্রার্থী না থাকায় পুরো সুযোগটাই চলে গেছে শাহারিয়ার আলমের পক্ষে। আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে তাদের প্রার্থীর বিপক্ষে শক্ত প্রতিদ্বন্ধিতা গড়ে তুলতে হলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা শাহারিয়ার আলমের বিকল্প নেই বলে মতামত দেন আ’লীগ নেতা, কর্মী ও সাধারন জনগন।