রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এমপি বলেছেন, ৩২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা থেকে লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বুলেট ট্রেন চালু করা হবে। এই ট্রেনে মাত্র আড়াই ঘন্টায় ঢাকা যাওয়া সম্ভব হবে। এ প্রকল্প সমীক্ষাধীন রয়েছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ঢাকা-চট্টগ্রাম ডুয়েল গেজ মাত্র ৭২ কি.মি. অবশিষ্ট আছে যা অচিরেই সম্পন্ন হবে।

চট্টগ্রাম চেম্বার আয়োজিত ২৬তম চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৮ এ অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে এ্যাওয়ার্ড প্রদান ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কর্ণফুলী নদীর উপর দিয়ে কালুরঘাট ব্রিজের বিকল্প হিসেবে রেল ও সড়ক সেতু এবং চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী হয়ে রামু-কক্সবাজার ও রামু-ঘুনধুম রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

রেল খাতে সরকারের ১৬ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বন্ধ ১৪০টি রেল স্টেশন পুনরায় চালু করা, রেললাইন ও রেল ব্রিজ সংস্কারে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকান্ড বর্ণনা করেন।

মজিবুল হক বলেন-চট্টগ্রামসহ ব্যবসায়ী সমাজ দেশে শিল্পায়ন ও লাখ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি আগ্রাবাদ ডেবা সৌন্দর্য বর্ধনের দায়িত্ব আবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম চেম্বারের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

এসময় চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বেসরকারী খাতে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের সকল পণ্য এ মেলায় প্রদর্শিত হয়। চট্টগ্রাম নগরীর মানুষের মিলনকেন্দ্র হিসেবে এ মেলা ইতোমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছে।
প্রতি বছর ২০-৩০ লক্ষ দর্শনাথী এ মেলা পরিদর্শন করেন। তিনি রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চট্টগ্রাম চেম্বারের অনুকূলে রেলওয়ের জায়গা থেকে একটি স্থায়ী ভেন্যু বরাদ্দ প্রদান এবং ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের পার্শ্ববর্তী ডেবাকে হাতির ঝিলের মত রূপান্তর করার লক্ষ্যে এ ডেবা চিটাগাং চেম্বারের অনুকূলে বরাদ্দের অনুরোধ জানান। এছাড়া তিনি ভেলুয়ার দিঘী সংস্কার, রেলওয়ে কন্টেইনার সার্ভিস উন্নত করা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য মন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান।

চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ দেলোয়ার হোসেন, চেম্বার সহ-সভাপতি ও মেলা কমিটির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ জামাল আহমেদ ,চেম্বার পরিচালকবৃন্দ কামাল মোস্তফা চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), মো. অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), এম. এ. মোতালেব, মাহবুবুল হক চৌধুরী (বাবর), ছৈয়দ ছগীর আহমদ, সরওয়ার হাসান জামিল, মো. রকিবুর রহমান (টুটুল), অঞ্জন শেখর দাশ ও মো. আবদুল মান্নান সোহেল, দক্ষিণ আফ্রিকার অনারারী কনসাল মো. সোলায়মান আলম শেঠ, ফিলিপাইনের অনারারী কনসাল এম. এ. আউয়াল, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন’র প্যানেল মেয়র হাসান মো. হাসনী ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা বেগম, উইম্যান চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবিদা মোস্তফা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।