আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী ‘মাদার অফ হিউমেনিটি’ আজ যথার্থই ‘মাদার অফ এডুকেশন’। আপনি বাংলাদেশের মানুষ যা চায়নি তার চাইতে বেশি দিয়েছেন বলে মন্তব্য করছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মাহমুদুল হাসান। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

এ বিষয়ে তিনি নিজের ফেসবুক পেইজে লিখেছেন, ‘‘কোটা বাতিল’- মেরুদন্ড সোজা করে একবাক্যে এ লাইন বলার সাহস এ দেশের আর কোনো সরকার প্রধানের নেই। কিন্তু শেখ হাসিনার আছে। কারণ উনি শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নন, জাতির জনকের কন্যা। উনার মুখ থেকেই আমরা বার বার শুনতে চেয়েছিলাম বক্তব্য এবং আমারা শুনেছিও।’

প্রধানমন্ত্রী,৩৩তাই আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী ‘মাদার অফ হিউমেনিটি’ আজ যথার্থই ‘মাদার অফ এডুকেশন’, আপনি বাংলাদেশের মানুষ যা চায়নি তার চাইতে বেশি দিয়েছেন। আর সবাইকে বুঝতে হবে বাতিল করার প্রক্রিয়াটা এতো দ্রুত করা পসিবল হবে না, সরকার আজ বলেছে তাই আজই করে ফেলতে পারবে বিষয়টা এমন না।’

‘আচ্ছা আরেকটা কথা, এরা কারা? যারা এখনো সরকারকে বা সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ দিতে চায়না। এমনকি ধন্যবাদ এর বদলে হাজারটা যুক্তি উপস্থাপন করে যাচ্ছে? আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময় বলেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে শুনতে চাই কিছু। অবশেষে শুনেছি এবং যা চাইনি তার চাইতে বেশি উনি বলেছেন।’

‘আর প্রধানমন্ত্রীর অভিমানকে নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন তাদেরকে বলি, উনার এ একটা বক্তব্য নিতে পারেন না অথচ দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা আমরা যখন সমালোচনা করেছি তখন উনি সেটা সহ্য করেছেন কিভাবে? তাই ভেবে তারপর কথা বলুন, নিজের কাছেই নিজে প্রশ্ন রাখুন উত্তর পেয়ে যাবেন। নিজেই শুধু মানুষ আর প্রধানমন্ত্রী কি রোবট নাকি, যে উনার আবেগ অনুভূতি কিছুই থাকতে নেই। আজীব, সব সমালোচনা কোটা বাতিল ঘোষণার পরেও!’

উল্লেখ্য, কোটা পদ্ধতি বাতিল ঘোষণা করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব এডুকেশন’ উপাধিতে ভূষিত করেন আন্দোলনকারী।

বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এক ব্রিফিংয়ে এ উপাধি ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দনও জানায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।