টেস্টিস হচ্ছে পুরম্নষ প্রজনন অঙ্গ। এখানে স্পার্ম বা শুক্রাণু তৈরি হয় এবং এই স্পার্ম বা শুক্রাণুর সঙ্গে মেয়েদের ডিম্বাণুর মিলনের ফলে সনত্মানের জন্ম হয়। এই টেস্টিসের বা অন্ডকোষের সংখ্যা দুটি। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এর জন্ম পেটের ভিতর। টেস্টিসদ্বয় শিশুর মায়ের পেটে বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নিচের দিকে নামতে থাকে এবং সনত্মান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূর্বেই অন্ডকোষ থলিতে অবস্থান নেয়।
টেস্টিসের জন্মের পর যদি সঠিক জায়গায় না থাকে ঐ টেস্টিসের টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা অত্যনত্ম বেশি। এছাড়াও বিভিন্ন কারণে টেস্টিসের টিউমার হতে পারে। টেস্টিসের টিউমার হলেই টেস্টিস হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বড় হতে থাকে। বেশির ভাগ সময়ই কোন ব্যথা হয় না। টেস্টিসের টিউমার সাধারণত ক্যান্সার হয়ে থাকে। সময়মতো চিকিৎসা না করলে অতি দ্রম্নত বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং মৃতু্য অনিবার্য।
এই ধরনের হাইড্রোসিল অত্যনত্ম ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এ ধরনের হাইড্রোসিল রোগীর কোন প্রকার কষ্ট হয় না। শুধু টেস্টিসের ফোলা আর কিছু নয়।
হাইড্রোসিল হলে কি জটিলতা হতে পারে :
_হাইড্রোসিল বড় হয়ে চলাফেরায় অসুবিধা হতে পারে।
_দৈহিক মিলনে প্রতিবন্ধকতার/বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
_ক্যান্সারের কারণে হাইড্রোসিল হলে জীবন বিপন্ন হতে পারে।
_জন্মগত হাইড্রোসিলে হার্নিয়াও থাকে। সেই ক্ষেত্রে হার্নিয়ার জন্য মৃতু্যর ঝুঁকি হতে পারে।
_ইনফেকশনের কারণে হাইড্রোসিল হলে অন্ডকোষে বা টেস্টিসে পুঁজ জমতে পারে।
_প্রজনন মতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
অতএব, এই ধরনের সমস্যা হলেই অভিজ্ঞ সার্জনকে দেখিয়ে সঠিক চিকিৎসা নিন।





