যুদ্ধাপরাধীদের পরবর্তী প্রজন্মরা দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে যাচ্ছে। ভুলে গেলে চলবে না সাপের বাচ্চা সাপই হয়। এই সমস্ত সাপেরা বাংলাদেশকে দংশন করার অপেক্ষায় আছে। সুযোগ পেলেই বিষ দাত বসিয়ে দেবে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

এরা যেন সরকারি-বেসরকারি কোনো উচ্চপদে চাকরি করতে না পারে সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে ভিয়েতনামের মতো আইন করে নিষিদ্ধ করতে হবে।

শুক্রবার (৬ এপ্রিল) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা গবেষণা সংসদের আয়োজনে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ: শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অর্জন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।

দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ২১ জন গবেষক এই সেমিনারে বক্তব্য দেন।ব্যারিস্টার তুরিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের যে সশস্ত্র সংগ্রাম, সে সংগ্রামের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। আমরা সেই যুদ্ধে জয়লাভ করেছি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার যে লড়াই সেই লড়াইয়ের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। সেই লড়াই চালিয়ে যেতে হয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।

‘আমাদের পূর্বপুরুষেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে যে স্বাধীনতা এনেছেন, সেই স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের। সেই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সবার আগে আমাদের বন্ধুর পাশাপাশি শত্রু চিহ্নিত করতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না যে ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের প্রাক্কালে ১৪ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুরে বদর কমান্ডার মুজাহিদের নেতৃত্বে যে সমাবেশ হয় সেখানে তাদের প্রতি নির্দেশ ছিল সমাজের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে যাওয়ার। সেই থেকে আজ অবধি তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরে মিশে গিয়ে তাদের পাকিস্তানি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

প্রফেসর আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ, গবেষক ড. নূহ-উল-আলম লেনিন, কবি, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক সোহরাব হাসানসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।