আমি লজ্জিত আমি বাংলাদেশ নামক এক ধর্ষনালয়ে জন্মগ্রহণ করে এখনো বেচে আছি। এখানেতো কয়েকটা ছবি। নেই সেই ধর্ষণ হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রেটি হওয়া তনু মেয়েটির ছবি। নেই এখানে রুমার বাবার বিচার না পাওয়া পথে পথে কষ্টের দৌড়ানোর দৃশ্য। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নেই সেই এলাকার মেম্বারের কাছ থেকে ধর্ষণের বিচার হিসেবে বাবার একহাজার টাকা পাবার দৃশ্য ও পরে বাবা ও মেয়ের বিচার না পেয়ে ট্রেনের নিচে ঝাপের সেই মর্মান্তিক ভিডিও ক্লিপ। নেই এখানে বালিশ চাপা কান্নাকরা মেয়েদের সেই নির্বাক ছবিগুলো।

শুনেছি পাবনাতে মানসিক হাসপাতালে নাকি ধর্ষণাগার নামের একটি কক্ষ খোলা হচ্ছে। সেখানে থাকবে এসব ধর্ষণে আক্রান্ত অপবিত্র সমাজ থেকে ধিক্কৃত মেয়েগুলো। বাহ!! কি চমৎকার আইডিয়া এদেশের উন্নত মাথাওয়ালা ব্যক্তিদের মাথায়।

আইনের দোহাই দিয়ে খালি ফেসবুকে পোস্ট করা বান্দাদের কাতারে পরতে চাইনা। চাই এর একটা সুষ্ঠ সমাধান। সরকার কাউকে ধর্ষনের নির্দেশ দেয়না তবুও এই ধর্ষনের দায়ভার সরকারের মাথায় এসেই পরে। সবার কপালটা আজকাল আমাদের প্রাধান মন্ত্রীর কপাল হয়ে গেছে।

আইনি জটিলতা বা নিরাপত্তাহীনতা সবই সরকারের দায়, এটা না মেনে পারছিনা।

তাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন এরা ভি আই পি সিকুরিটি চায়না এদেশের মেয়েরা একটু সাধারণ নিরাপত্তা চায়। ধর্ষনের আইন কঠোর হোক সাথে নিরাপত্তাটাও যেনো কঠোর হয়।