সিলেট নগরের মীরাবাজারে নিজ বাসা থেকে মা-ছেলের জোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে রাইসা নামের পাঁচ বছরের এক শিশুকে। দুপুরে দরজা ভেঙ্গে তাদের উদ্ধার করা হয়। কি কারণে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেনা পুলিশ। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এসএসসি ফলপ্রাথী ছেলে রবিউল ইসলাম রোকন ও পাঁচ বছরের শিশু রাইসাকে নিয়ে মীরাবাজার মিতালী ১৫ নম্বর বাসায় ভাড়া থাকতেন রোকেয়া বেগম। দু’দিন ধরে বোনের সাথে কথা না হওয়ায় রোকেয়ার ভাই জাকির সকালে বাসায় এসে দরজায় কড়া নাড়েন।
এসময় ভেতর থেকে ভাগনী রাইসা বলে ওঠে তার মা ও ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছে। ছোট শিশুটি দরজা খুলতে না পারায় বাইরে থেকে তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে মা রোকেয়া ও ছেলে রবিউলের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। রাইসাকেও পাওয়া যায় আহত অবস্থায়। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে রাইসাকে মৃত ভেবে চলে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তার জ্ঞান ফিরলে বেঁচে যায় শিশুটি।
এক প্রতিবেশী বলেন, ‘তারা প্রায় সময়ই নিরব থাকতো। ছেলেটা মীরাবাজারে লেখাপড়া করতো।’
রোকেয়ার ভাই জাকির বলেন, ‘আমার বোন বলেছে, আপার তো মোবাইল বন্ধ থাকে না। কেন বন্ধ, আপনি গিয়ে দেখে আসেন। যাওয়ার পর ধাক্কাছি, পরে আমার ভাগ্নিটা ভেতর থেকে জবাব দিয়েছে। বলেছে, মামা, আম্মাকে তো মেরে ফেলেছে, ভাইয়াকেও মেরে ফেলেছে। দরজাটা খুলো। পরে আমি ঘুরে এসে জানালা দিয়ে ঢুকলাম।’
তাদের সাথে কারো বিরোধ ছিল বলে জানা যায়নি। তবে, বাসার মালিক জানান, ক’দিন আগে এলাকার দুটি ছেলে বাসায় এসে ভাঙচুর করে। বিষয়টি সমাধান করে দেন পাড়ার মুরব্বিরা।





