৮ ফেব্রুয়ারি পুরনো ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই তাকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরানো কারাগারে রাখা হয়েছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

এদিকে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তবে মেডিকেল বোর্ড বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদন দেয়নি।

এদিকে রিপোর্ট পাওয়ার পরই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. শাহ আলম তালুকদার।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. শাহ আলম তালুকদার।

শাহ আলম তালুকদার বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড। মেডিকেল বোর্ডের কোনো প্রতিবেদন তাদের কাছে আসেনি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

ডা. শাহ আলম আরও বলেন, খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী নন। এ হাসপাতালে ভর্তি নন। এ কারণে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফল এলে তা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। ওখান থেকেই আপনারা জেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন।

এর আগে গতকাল রোববার দুপুর সোয়া একটা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা নাজিম উদ্দিন রোডের পুরান কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা।

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের চার অধ্যাপককে নিয়ে বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করে কারা কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা হলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের অধ্যাপক মো. সামসুজ্জামান, নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক মনসুর হাবীব, মেডিসিন বিভাগের টিটু মিয়া ও ফিজিকেল মেডিসিন বিভাগের সোহেলী রহমান।