এই হাতের রেখা নিয়ে নানা কথা শোনা যায়৷ যা নিয়ে তর্ক-বিতর্কও রয়েছে বহু৷ কারও কাছে তা কু-সংস্কার, কারও কাছে এদের তাৎপর্য অনেক৷ অনেকেই বলে থাকেন, কোনও মহিলা বা পুরুষের কতগুলি বিয়ে হবে তা নাকি তার হাতের রেখাই জানিয়ে দেয়৷ আবার অনেকে তা জ্যোতিষশাস্ত্রের উল্লেখও করে থাকে এসম্পর্কে৷ ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

১) শোনা যায়, হাতের সবচেয়ে ছোট আঙুল বা কনিষ্ঠার নীচে বুধপর্বতের শেষে কিছু আঁকাবাঁকা রেখা থাকে, একেই নাকি বলা হয়ে থাকে বিবাহ রেখা৷ এই রেখার ওপর ভিত্তি করেই কোনও ব্যক্তির প্রেম থেকে পরিণয় সম্পর্কে জানা যায়। এই রেখা যার যত পরিষ্কার এবং স্পষ্ট, বৈবাহিক জীবন তার ততোটাই সুখে কাটে বলে মত কারও কারও৷

২) মনে করা হয়, যে ব্যক্তির বুধপর্বতে রেখার সংখ্যা বেশি, তাঁরা বহুবার প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সবথেকে স্পষ্ট যেটি তাকেই বিয়ের রেখা হিসেবে ধরে নেওয়া হয়৷ তবে রেখা স্পষ্ট না হলে তা নিয়ে বলা মুশকিল৷

৩) বিবাহরেখা নীচের দিকে নেমে গিয়েছে এমন হলে দাম্পত্য জীবন মসৃণ নাও হতে পারে।

৪) শুরুতেই যদি বিবাহ রেখা দু’টি শাখায় ভাগ হয়ে যায়, তাহলে নাকি ভাঙতে পারে সেই বিয়ে৷ বিয়ের রেখা কাটা হলেও বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা থাকে। আর এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির দ্বিতীয় বিয়ের সম্ভাবনাও কিন্তু থাকে।

৫) মনে করা হয়, দু’টি বিবাহ রেখা থাকলে এবং ভাগ্য রেখা থেকে বেরিয়ে তার একটি শাখা হৃদয় রেখায় মিললে ওই ব্যক্তির একাধিক বিয়ের যোগ থাকতে পারে-
====
হঠাৎ কুকুর তাড়া করলে কি করবেন? জেনে নিন নিরাপদ থাকবেন যেভাবে!

হঠাৎ কুকুর তাড়া করলে কি করবেন? জেনে নিন নিরাপদ থাকবেন যেভাবে!
রাস্তায় চলাচলের সময় কুকুরের সামনে সবাই কম-বেশি পড়ে থাকেন। তবে বিপদ তখনই, যখন এই প্রাণীটি আগ্রাসী রূপ ধারণ করে। তখন অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কী করবেন? তবে একটু সচেতন হলেই কিন্তু কুকুরের কু-দৃষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। চলুন একনজরে দেখে নিন, রাস্তায় কুকুরের কামড় থেকে নিরাপদে বাড়ি ফেরার কয়েকটি উপায়।

ভয় পাবেন না: মনে ভয় রাখলে চলবে না। একটা কথা ভুলবেন না, কুকুরের বুদ্ধি আপনার চেয়ে বেশি। তারা সবসময় বুঝতে পারে, কে ভয় পাচ্ছে। যারা ভয় পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে, তাদের বেশি করে তাড়া করে এরা। তাই ভয় পাওয়া চলবে না কোনোভাবেই। কুকুর তাড়া করলে ঘুরে দাঁড়ান। উল্টো হুমকি দিন।

থেমে যান, ধীরে হাঁটুন: হাঁটার সময় যদি আশপাশ থেকে কুকুর আপনার দিকে তেড়ে আসতে থাকে তাহলে দাঁড়িয়ে যান কিংবা হাঁটার গতি কমিয়ে ফেলুন। বোঝান, আপনি ভয়ে পালাচ্ছেন না।

সরাসরি তাকাবেন না: কুকুরের চোখের দিকে সরাসরি তাকাবেন না। এতে কিছু কুকুর আগ্রাসী হয়ে ওঠে। তারা আপনার থেকে ভয় পেয়ে আরও তেড়ে আসতে পারে। তাই তাকে পাত্তা না দিয়ে আস্তে করে হেঁটে পার হয়ে আসুন।

মনোযোগ ঘুরিয়ে দিন: কুকুরকে অন্য কোনো জিনিস দিয়ে ভুলিয়ে দিন। যাতে আপনার দিকে আর সে না তাকায়। আপনার কাছে যদি খালি বোতল, ছেঁড়া প্লাস্টিক বা বাতিল কিছু থাকলে তা কুকুরকে দেখিয়ে ছুঁড়ে দিন। সেটিতে সে তখন মন দেবে। আপনাকে মুক্তি দিতেও পারে।