নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে সোমবার ৭১ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান। এ ঘটনায় নিহত বাংলাদেশীদের মধ্যে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর একই পরিবারের ৩ জন ও বেগমগঞ্জের একজন রয়েছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বর্তমানে নিহতদের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের কান্নায় শোকাবহ হয়ে উঠেছে এলাকার আকাশ-বাতাস।
নিহতের মধ্যে রয়েছেন জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের কেশারখিল গ্রামের সাতআনী ভুঁইয়া বাড়ীর মৃত হাজী জহিরুল হকের ছেলে রফিকুল হাসান (৪৫), তাঁর স্ত্রী সানজিদা হক বিপাশা (৩০) ও শিশু পুত্র অনিরুদ্ধ জামান (৮)। তারা স্বপরিবারে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে নেপাল যাত্রা করেছিলেন।
নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে রফিকুল হাসানের চাচা গোলাম মাওলা জানান, তাদের পরিবার ঢাকা ধানমন্ডির সুক্রাবাদ ৮১ নং বাড়ীতে থেকে দীর্ঘদিন ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছিল। রফিকুল হাসানের স্ত্রী পেশায় চাকুরীজীবি ছিলেন। রফিকুল হাসান ও স্ত্রী সানজিদা হক বিপাশা তাদের শিশু পুত্র জামানকে নিয়ে নেপালে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। তিনি আরো জানান, নিহতের মরদেহ শীঘ্রই দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে তার ভাগ্নে তাপসসহ ৩ জন মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ বিমানযোগে নেপালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন।
অপরদিকে, জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের ডা. কামাল উদ্দিনের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা উম্মে সালমা ওই বিধ্বস্ত বিমানের যাত্রী ছিলেন। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তিনি মারা গিয়েছেন বলে পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে।
নেপালে বিমান বিধ্বস্তে ঘটনায় নোয়াখালীর এ ৪ ব্যক্তির মৃত্যুতে জেলাবাসীর মধ্যে শোক বিরাজ করছে।





