সময় নেই। এনার্জি নেই। তাই চড়চড় করে বাড়ছে ওজন। এমন সময় কোনও ফুশমন্তরেই কমবে না শরীরের বাড়ন্ত মেদ। কিন্তু উপায় তো একটা চাই-ই চাই। যেনতেন প্রকারেণ ঝরাতেই হবে ওয়েট। তাই বিনা মেহনতেই কমিয়ে নিন ওজন। জাস্ট এক গ্লাস শরবত ধকধক করে খেয়ে নিন। তারপর দেখুন কামাল। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
কী সেই শরবত?
সে এক জাদু রস। সকালে ঘুম ঘুম চোখেই বানিয়ে ফেলতে পারবেন। তার জন্য চাই –
ছোটো ২/৩ কাপ হালকা গরম জল, ১ চা চামচ মধু, ১ চামচ আদা কুচি, ১ চা চামচ দারুচিনি, ১ চামচ পাতি লেবুর রস।
কিন্তু মনে রাখবেন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খাবেন। তারপর খুব খিদে পাবে। তাই বলে অনেক পরিমাণে ব্রেকফাস্ট করবেন না। পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার খাবেন। ভুলেও ডায়েটিংয়ের কথা মাথায় আনবেন না। মনে রাখবেন, ডায়েটিং করে রোগা হওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তাতে তেমন কাজও হয় না।
এই শরবতটি দিনে দু-বার খান। একবার সকালে খালি পেটে। আরেকবার রাতে শুতে যাওয়ার আগে। হজমশক্তি বাড়বে। বাড়তি মেদ ঝরাতে সাহায্য করবে। ট্রাই করে দেখুন!
প্রতি রাতে আপনার দরকার ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানো । শতকরা ৪০ ভাগ লোক এর চেয়ে কম ঘুমায় । মাত্র এক রাত ঘুম কম হলেই আপনার শরীরে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে শুরু করে। যথেষ্ট ঘুম না হলে চোখ লাল হয়, গায়ের চামড়ার রঙ নষ্ট হয়। অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
একরাত ঘুম কম হওয়া বা কিছু সময় ধরে ঘুম কম হওয়ার সমস্যাটি শুরুতে অল্প থাকলেও পরে তা বড় সমস্যায় রূপ নেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের ঘুম না হওয়ার পিছনে অনেক কারণের একটি হচ্ছে খাবার-দাবার। অতিরিক্ত ক্যালরি আছে এমন খাবার বা অতিরিক্ত শর্করার খাবার খেলে বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে।
১৫ জন লোকের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে মাত্র এক রাত ঘুম না হলেই মস্তিষ্কের কোষের ক্ষয় শুরু হয়। ১৭৪১ জন নারী এবং পুরুষের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে যারা ১০ থেকে ১৪ বছর ধরে ছয় ঘণ্টারও কম ঘুমান তাদের মধ্যে মারাত্মক ধরনের মৃত্যুহার বেশি থাকে। তাছাড়া তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ সহ আরো অনেক রোগের হার বেশি।
এক রাত কম ঘুমালে যে সমস্যা হয় :
১) ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং আপনি বেশি খেতে শুরু করেন।২) যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকির মধ্যে থাকেন আপনি।৩) আপনি দেখতে যেমন আপনাকে তার চেয়ে খারাপ দেখায়। ৪) ঠাণ্ডা-সর্দি লাগার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ৫) আপনার মস্তিষ্কের টিস্যু নষ্ট হওয়া শুরু হয়। ৬) আপনি সামান্য কারণে ইমোশোনাল হয়ে যান। ৭) আপনার স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে শুরু করে।
একরাত ঘুম কম হওয়া বা অল্প সময়কাল ধরে ঘুম কম হওয়ার সমস্যাটি পরে গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।





