চামচই বলে দেবে কিডনি বা ফুসফুসের রোগ আছে কিনা মানুষের পেটের সমস্যা বা ফুসফুসের সমস্যা কোনো বিরল রোগ নয়। তবুও এই রোগগুলো অবহেলা করতে করতেই এক সময় বড় রোগ বাসা বাঁধে শরীরে। সময়ের অভাবে এই রোগগুলো নির্ণয়ে পরীক্ষা করাও হয়ে ওঠে না।
কিন্তু ঘরোয়া পদ্ধতিতেই পরীক্ষা করতে পারেন যে, আপনার পেট বা ফুসফুসে সমস্যা রয়েছে কিনা।
এমন তথ্যই জানা গেছে, ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে। এই পরীক্ষার জন্য প্রয়োজন শুধু একটা চামচ আর একটা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের প্যাকেট।
চলুন জেনে নিই চামচ দিয়ে পরীক্ষার করার এই সহজ পদ্ধতি-
১. একটি চা-চামচ নিয়ে তার উপরের অংশ দিয়ে জিভের উপরে বেশ কিছু ক্ষণ ধরে ঘষতে হবে। যাতে চামচটি লালায় সম্পূর্ণ ভিজে যায়। ২. এবার একটি প্লাস্টিক ব্যাগে ঢুকিয়ে তা সূর্যালোকে রেখে দিন। ৩. ১ মিনিট পর প্লাস্টিক ব্যাগ থেকে চামচটি বের করে নিন।
৪. যদি চামচে লেগে থাকা লালা শুকিয়ে যাওয়ার পর কোনও গন্ধ বা কোনরকম দাগ না হয়, তাহলে জানবেন আপনার দেহের ভিতরের অঙ্গ একদম ঠিক আছে। ৫. চামচে খুব দুর্গন্ধ হলে জানবেন ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে। ৬. অ্যামোনিয়ার মতো ঝাঁঝালো গন্ধ হলে কিডনির সমস্যা হতে পারে। ৭. মিষ্টি বা কোনও ফলের মতো গন্ধ হলে আপনার ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা।
৮. চামচে সাদা দাগ শ্বাসযন্ত্রের কোনও সংক্রমণের ফল হতে পারে। ৯. বেগুনি রঙের দাগ হলে রক্ত চলাচলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব বেশি বেড়ে গেলে বা রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেলে এরকম হয়ে থাকে। ১০. হলুদ রঙের দাগ হলে থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা হতে পারে। ১১. এবং দাগ যদি কমলা রং ধারণ করে তাহলে কিডনির সমস্যায় ভুগতে পারেন। কারণ কিডনির সমস্যা দেখা দিলে রক্তে ক্যারোটিন-সদৃশ উপাদান জমা হতে থাকে। এর ফলেই কমলা রঙের দাগ হয়।
উল্লেখ্য, চামচের এই পরীক্ষার পরে উপরে উল্লিখিত কোনও গন্ধ বা রং দেখতে পেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
===============================
পিটিয়েছেন তার স্বামী – ওয়াইফাই সংযোগ বন্ধ করে স্বামীকে ঘুমাতে যাওয়ার কথা বলায় স্ত্রী’কে বেদম পিটিয়েছেন এক ব্যক্তি। ভারতের হায়দ্রাবাদের সোমাজিগুদা এলাকায় ঘটছে এমন ঘটনা।
ঘুমানোর আগে স্ত্রী মাত্র এই একটি কথা বলতেই তাকে বেদম পিটিয়েছেন তার স্বামী । পুলিশের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, রেশমা সুলতানা নামের ওই নারী বুধবার রাতে ঘরের ওয়াইফাই সংযোগ বন্ধ করে দেন। এতে তার স্বামী ক্ষিপ্ত তাকে বেদম প্রহার করেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন রেশমার মা।
এ ঘটনার পর সুলতানা নামের ওই নারীকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিন সন্তানের এই জননীর বুক, মুখ ও মাথায় আঘাত করেছেন ওই ব্যক্তি।
এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই দম্পতির মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক থেকে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেফতারের আগে তাদের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আলোচনা চলছে।





