ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে শ্রীলঙ্কা এসেছিল দল। কিন্তু হলো কি? উল্টো আবার শোচনীয় হার। যেন হারের চোরাবালিতে পেয়ে বসেছে বাংলাদেশকে। কেন এভাবে ম্যাচের পর ম্যাচ হারতে হচ্ছে দলকে?
ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হারের জন্য ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক যে কারণ গুলোর কথা বললেন সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
৫৫ ডটবল
টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলোতে আমরা ধুঁকছি। অনেক বেশি ডট বল খেলছি, তার পরও উইকেট বিলিয়ে আসছি। আজকেও আমরা ভালোই শুরু করেছিলাম, কিন্তু পরে নিয়মিত উইকেট হারিয়েছি।টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলোতে একটু পিছিয়ে আছি আমরা। বরাবরই এখানে খেই হারিয়ে ফেলি। সিঙ্গেল নিতে পারছি না, ডাবলসও না। পাশাপাশি বাউন্ডারিও হচ্ছিল না। একই সঙ্গে উইকেটও দিয়ে এসেছি।
ব্যাটিং ব্যর্থতা
ম্যাচে দায় দেব ব্যাটসম্যানদেরই। কারণ, এত ভালো উইকেটে ভালো একটি পুঁজি বোলারদের দিতে পারিনি। বোলাররা অনেক চেষ্টা করেছে। রবেল, তাসকিন, মুস্তাফিজ ভালো করেছে। এটা ইতিবাচক দিক। এখন ব্যাটসম্যানরা একটু দায়িত্ব নিয়ে ভালো করতে হবে।আমার মনে হয়, ১৭০-১৮০ রানের উইকেট ছিল। আমরা নিজেরাই ভালো করতে পারিনি। উইকেট নিয়ে কোনো অভিযাগ নেই। আমরা ব্যাটসম্যনরাই কাজে লাগাতে পারিনি।
সামনে যা করতে হবে
মানসিকভবে প্রস্তুত হতে হবে। সবাইকে ভাবতে হবে কোথায় ভুল করেছি। আমি যেমন আজকে অনেক ডট বল খেলেছি। এই ছোট জিনিসগুলো নিয়ে যদি আমরা একটু সেন্সিবল হই, তাহলেই হবে। সবাই বসে যদি ঠিক করতে পারি, তাহলে ভালো কিছু হবে।একমাত্র পথই হলো আমাদের ভালো খেলতে হবে। কারণ ভালো খেলার বিকল্প কিছু নেই। আমরা ব্যাটসম্যানরা কয়েকটি ম্যাচে ভালো করেছি, বোলাররা তখন ভালো করেনি। আজকে বোলাররা ভালো করেছে। ব্যাটসম্যানরা পারেনি। যেদিন আমাদের দুটিই ভালো হবে, সেদিন দলও ভালো করবে
কখন ঘুরে দাঁড়াবে দল?
আমরা ভালো খেলব, যেদিন আমরা ভালো খেলব। এটা হলো প্রথম কথা। আজকে যেমন টপ অর্ডার ভালো শুরু করেছিল। কিন্তু তার পর ভালো হয়নি। আমাদের ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগোতে হবে। তাছাড়া অন্য কোনো পথ দেখি না। একটা ইতিবাচক দিক হলো আমাদের বোলাররা আজ ইতিবাচক ছিল। সামনে একসঙ্গে সবার ভালো করতে হবে। একটা জয়ই আবার মোমেন্টাম এনে দিতে পারে।





