রক্ষকই ভক্ষক! প্রতিবেশীর ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক পুলিসকর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, অন্ধকার ঘরে তাঁর মায়ের সামনেই ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি ভারতের উত্তর দিনাজপুরের কর্ণজোড়ার। অভিযুক্ত পুলিসকর্মী অখিল মণ্ডল ঘটনার পর থেকে পলাতক।
অভিযুক্ত অখিল মণ্ডল রায়গঞ্জ সংশোধনাগারের জেল ওয়ার্ডেন। অভিযোগ, সোমবার মাঝ রাতে ওই গৃহবধূ ঘুম থেকে উঠে শৌচালয়ে যান। সেই সময়ই বাড়ির মেইন সুইচ বন্ধ করে দেন অখিল। বাড়ি অন্ধকার হতেই সুযোগ বুঝে ঘরের মধ্যে ঢুকে এককোণে ঘাপটি মেরে বসে থাকেন তিনি। এরপরই ওই গৃহবধূ শৌচালয় থেকে ঘরে ফিরতেই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন অখিল।
ঘরের মধ্যে তখন ওই গৃহবধূর মা-ও ছিলেন। কিন্তু অন্ধকার ঘরে কী ঘটছে, তা প্রথমে ঠিকমতো ঠাওর করতে পারেননি নির্যাতিতার মা। এমনকী অভিযুক্ত অখিল মণ্ডলকে ‘নিজের জামাই’ ভেবেও ভুল করেন তিনি। পরে মেয়ের চিত্কারে সম্বিত ফিরতেই দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে এসে ঘরের দরজা আটকে দেন। চিত্কার-চেঁচামেচি জুড়ে দেন ওই গৃহবধূর মা।
এ দিকে, নির্যাতিতা গৃহবধূর মায়ের চিত্কারে ছুটে আসেন অভিযুক্ত পুলিসকর্মীর বাড়ির লোকেরা। অভিযোগ, ওই গৃহবধূর বাড়ির লোকদের উপর চড়াও হন তাঁরা। মারধর করে বাড়ির দরজা ভেঙে ছাড়িয়ে নিয়ে যান বাড়ির ছেলেকে। এরপর সোমবার রাতেই কর্ণজোড়া পুলিস ফাঁড়িতে অভিযুক্ত অখিল মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা গৃহবধূর পরিবার।
কিন্তু পুলিসের তদন্ত নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। অভিযোগ, ঘটনার পর দুদিন কাটতে চললেও এখন অধরা অভিযুক্ত। পাশাপাশি অভিযুক্তের পরিবার অভিযোগ তুলে নিতেও চাপ দিচ্ছে। যদিও অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন উত্তর দিনাজপুর জেলা পুলিস সুপার শ্যাম সিংহ।





