শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতার ৭০ বছর উপলক্ষ্যে আয়োজিত নিদাহাস ট্রফির প্রথম ম্যাচে ১৭৫ রান সংগ্রহ করেও জয়ের দেখা পায়নি ভারত। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল শ্রীলঙ্কার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে।

বৃহস্পতিবারের অর্থাৎ দ্বিতীয় ম্যাচটিও হচ্ছে একই মাঠে। আর এদিন টস হেরে প্রথম ব্যাটিং করে ১৩৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। অর্থাৎ জয় পেতে ভারতকে করতে হবে ১৪০ রান।

এখন প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের এই রান কতটা নিরাপদ? পরিসংখ্যান বলছে, এই রান মোটেও নিরাপদ নয় ভারতের কাছে।

বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ সময় শুরু হওয়া সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া ম্যাচটিতে ভারতের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ। তামিম ইকবালের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে শুরুতে বেশ আগ্রাসী মনোভাব দেখায় সৌম্য সরকার। কিন্তু সে ফল মোটেও সুখের ছিল না। ইনিংসের ২.৪ ওভারের সময় উনাদাকাটের বল মারতে গিয়ে শর্ট ফাইন অঞ্চলে ধরা পড়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। এরপর নামেন লিটন কুমার দাস। তাকে নিয়ে পথ চলার চেষ্টা করেন অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। কিন্তু ৪.৩ ওভারের মাথায় এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে রিভিউতে রক্ষা পান তামিম। কিন্তু সে যাত্রায় রক্ষা পেলেও পরের যাত্রায় ঠিকই বিদায় ঘন্টা বাজে তার। তিনিও সৌম্যের মতো শর্ট ফাইন অঞ্চলে গিয়ে ধরা পড়েন।

 

যদিও এর পর মুশফিককে নিয়ে হাল ধরেন লিটন দাস। নেমেই চমৎকার কিছু বাউন্ডারির উপহার দেন মুশি। কিন্তু তার ইনিংসটি দীর্ঘায়িত করতে পারেননি। ১৪ বলে ১৮ রানের ইনিংস খেলে ক্যাচ আউটের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েনি তিনি। টাইগার কিপারের বড় ইনিংস গড়ার ব্যর্থতার দিনে সুবিধা করতে পারেননি অধিনায়ক রিয়াদ (১) ও অলরাউন্ডার মিরাজ (৩)। যাই হোক শেষের দিকে সাব্বিরের দায়িত্বশীল ব্যাটিয়ে (৩০) ১৩৯ রান সংগ্রহ করতে পারে বাংলাদেশ।

ম্যাচটিতে ভারতের হয়ে উনাদাকাট তিনটি, শানকার দুটি , শার্দূল ও চাহাল একটি করে উইকেট লাভ করেন।

প্রসঙ্গত, আজকের হাইভোল্টেজ ম্যাচটিতে তিন পেসার ও দুই দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। পেস বিভাগে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে আছেন রুবেল হোসেন আর তাসকিন আহমেদ। স্পিনার হিসেবে থাকছেন দুইজন- নাজমুল অপু আর মেহেদী হাসান মিরাজ।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহীম, লিটন কুমার দাস, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান, নাজমুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান।