নারীদেহে অবাঞ্ছিত লোম কিছুতেই কাম্য নয়। কারণ এতে নারীর দৈহিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায় এবং এটি এক অসহ্য যন্ত্রণার বিষয় হয়ে ওঠে।
নারীদেহে অবাঞ্ছিত লোম কিছুতেই কাম্য নয়। কারণ এতে নারীর দৈহিক সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি এটা একটা চূড়ান্ত মানসিক দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে ওঠে। এইসব অবাঞ্ছিত লোম মেয়েদের মুখে, বুকে এবং নাভীতে সৃষ্টি হয়ে থাকে। বিশেষ করে নাকের নিচে গোঁফ আকারে যে লোম দেখা যায়- তা অনেকের জন্য ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এই বিষয়ে বিভিন্ন্ সমাধান নিয়ে এবারে আলোচনা করা হচ্ছে।
মেয়েদের মুখে, বুকে ও নাভীতে অবাঞ্ছিত লোম সৃষ্টির ডাক্তারী নাম হলো হারসুটিজম। রোগটির আরও কিছূ লক্ষণ হলো মাসিকচক্রে অনিয়ম, স্তনদ্বয় ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে যাওয়া, গলার স্বর ভারি হওয়া এবং পুরুষসঙ্গীর প্রতি ক্রমান্বয়ে আকর্ষণ কমে যাওয়া। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বন্ধ্যা হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয়।
এক্ষেত্রে প্রথমেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক কারণগুলো শনাক্ত করার জন্য নিচের পরীক্ষাগুলো করা হয়ে থাকে।
১) রক্তের সুগার ভিডিআরএল,HBSAG এবং TPHA পরীক্ষা।
২) রক্তের হরমোন এনালাইসিস।
৩) আলট্রাসনোগ্রাম অফ হেপাটো বিলিয়ারি সিস্টেম।
খুব কম আকারের লোমের ক্ষেত্রে সঠিক কারণগুলো পরীক্ষা করে খাবার ওষুধ দিয়ে রোগটি নিরাময় করা সম্ভব হতে পারে। তবে এই রোগ সারানোর জন্য চূড়ান্তভাবে প্রয়োজন হয় লেজার ট্রিটমেন্ট। এই ধরনের রোগের জন্য বিস্ময়কর এক কসমেটিক সার্জারির অপর নাম হলো লেজার ট্রিটমেন্ট। এই প্রক্রিয়ায় লেজার রশ্মির মাধ্যমে নারীদেহের অবাঞ্ছিত লোমগুলো ত্বকের কোনো ক্ষতি না করে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই দূর করা যায়। সবচেয়ে বড় কথা, এই প্রক্রিয়ায় উক্ত স্থানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আর দ্বিতীয়বার চুল গজায় না। সুতরাং একজন দক্ষ ত্বক বিশেষজ্ঞ ও কসমেটিক সার্জনের মাধ্যমে এই লেজার ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করা উচিত। বিস্তারিত ভিডিও তে...
ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন





