শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুল হাসান গ্রামের বাজারে ফেরি করে লুঙ্গি-গামছা বিক্রি করতে মাঝে-মধ্যে তার দিরাই উপজেলার কলিয়ার কাপন গ্রামে যেত।
একই গ্রামের সাবেক মেম্বার আবাদুস শীশ রোববার এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, ফয়জুল মাঝে-মধ্যে গ্রামে আসতো। গ্রামের বাজারে ফেরি করে লুঙ্গি ও গামছা বিক্রি করতো।
ন্যাক্কারজনক এই কাজের জন্য গ্রামের মানুষ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় বলেও জানান সাবেক ওই ইউপি সদস্য।
রোববার সকালে ফয়জুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার গ্রামের বাড়ি তালাবদ্ধ। পরে একই গ্রামে ফয়জুলের ফুফুর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ফয়জুলের দাদী কাচা বিবি (৮০) বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন, কোনো কথা বলতে পারছেন না।
ফয়জুলের বাড়িতে কেউ না থাকায়, পাশেই তার ফুফুর বাড়িতে সুনামগঞ্জ থেকে আসা বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও পুলিশ ফয়জুল হাসান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে পেছন থেকে অধ্যাপক জাফর ইকবালের মাথায় ছুরিকাঘাত করেন আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী ওই যুবক। পরে তাকে শিক্ষার্থীরা ধরে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।আর অধ্যাপক জাফর ইকবালকে উদ্ধার করে প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর রাতেই হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকায় পৌঁছেই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে সিএমএইচে ভর্তি করানো হয়।
আইএসপিআর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন, বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন। শঙ্কামুক্ত, এখন কথা বলছেন।





