বিগত সময়ে ওএমএস’র চালের মান খারাপ হওয়ায় টার্গেটের তুলনায় কম বিক্রি হচ্ছিল। পরে চালের দাম ২০ টাকা থেকে কমিয়ে করা হয় ১৫ টাকা। তারপরও ডিলাররা চাল বিক্রি করতে পারেনি।

সাড়া মেলেনি ক্রেতাদের। এ বছর চালের দাম আরও কমিয়ে করা হয়েছে মাত্র ১০ টাকা। মান কেমন হবে ১০ টাকা কেজি চালের? এমন প্রশ্নের জবাবে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ ও বিতরণ বিভাগের দায়িত্বে থাকা সহকারী সচিব মো. নুরুল ইসলাম শেখ বলেন, দেখুন আমরা যে চাল বিক্রি করি তা দেশি চাল। দেশি মিল থেকে সংগ্রহ করা হয়। আর মানুষের দেশি চালের প্রতি আগ্রহ বেশি। আশা করি এবার চালের মান ভাল হবে।

প্রতি কেজি চালে কত টাকা ভর্তুকি দেয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে সরকারের এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা প্রতি কেজি চাল মিল মালিকদের কাছ থেকে ক্রয় করি ৩৯ টাকা দরে। এর সাথে যোগ হয় মেইনটেইনেন্স খরচ। তাতে প্রতি কেজি চালের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৪৩ থেকে ৪৪ টাকায়। এছাড়াও ডিলারদের প্রতি কেজি চালের উপর দেড় টাকা করে আমরা কমিশন প্রদান করি। আর সেই চাল মাত্র ১০ টাকায় বিক্রি করতে সরকারের প্রায় ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি যাবে। এভাবে দেড় লাখ টন চাল আমরা প্রদান করবো।

বিগত সময়ে দেখা গেছে, গোডাউন খালি করতেই ওএমএস পদ্ধতিতে এভাবে কম দামে চাল বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ‘মান’ এ খারাপ ওই চাল নিয়ে পরে ডিলারদের বিপাকে পড়তেও দেখা গেছে। এবার এমন ঘটনা ঘটবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে খাদ্য অধিদফতরের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, গোডাউনে থাকা চাল খালি করতে না পারলে নতুন চাল সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণে সমস্যা দেখা দেবে। তবে চালের মান খারাপ কিনা তা আপনারা ডিলারদের সাথে কথা বললে জানতে পারবেন।