পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম নীলাঞ্জনা দত্ত। ছেলে নীলাঞ্জন, তাঁর স্ত্রী এবং সন্তানের সঙ্গে ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন নীলাঞ্জনাদেবী।বারান্দা থেকে ঝুলছে মায়ের দেহ! জানতে পারল না ছেলে,
রহস্য দমদমে ব্যস্ত এলাকার বহুতলের বারান্দার রেলিংয়ের সঙ্গে ঝুলছে এক বৃদ্ধার দেহ! শনিবার সকালে এমনই ভয়াবহ দৃশ্যের সাক্ষী থাকলেন দমদম নাগেরবাজারের রফি আহমেদ কিদওয়াই রোডের বাসিন্দারা! আত্মহত্যা না খুন— কীভাবে ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হল তা নিয়েই দানা বেঁধেছে সন্দেহ।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম নীলাঞ্জনা দত্ত। ছেলে নীলাঞ্জন, তাঁর স্ত্রী এবং সন্তানের সঙ্গে ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন নীলাঞ্জনাদেবী।মৃতার ছেলের দাবি, প্রতিদিন সকালে পরিচারিকা এলে নীলাঞ্জনাদেবীই দরজা খুলতেন। কিন্তু এ দিন তিনি তা করেননি। এর পরেই মায়ের খোঁজ করতে গিয়েই ফ্ল্যাটের বারান্দা থেকে মাকে ঝুলতে দেখেন বলে দাবি করেছেন মৃতার ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে সঙ্গে সঙ্গে পুরো ঘটনাটি জানান। দমদম থানার পুলিশ এসে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার করে।
মৃতার ছেলের আরও দাবি, শুক্রবার রাতেই তিনি মাংস নিয়ে আসেন। নীলাঞ্জনাদেবীই সবার জন্য তা রান্না করেন। যদিও, বেশ কয়েকদিন ধরেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা যদিও অন্য কথা বলছেন। তাঁদের দাবি, ওই বৃদ্ধাকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও প্রশ্ন, প্রায় আশি বছর বয়সি একজন বৃদ্ধা কীভাবে উঁচু রেলিং টপকে বহুতলের কার্নিশে নেমে গলায় দড়ি দিলেন। শুধু তাই নয়, মৃতদেহের পা কার্নিশ ছুঁয়ে ছিল বলেও দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। আত্মহত্যা করতে হলে কেন তিনি ঘরেই করলেন না, এ প্রশ্নও উঠছে। সবমিলিয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে এলাকাবাসীর মনে।
ইতিমধ্যে পুলিশ মৃতার পরিবারের সদস্যদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তবে পুলিশ এখনও এই বিষয়ে কিছু জানায়নি। মৃতার পরিবারের সদস্যদের জেরা করে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।





