ক্রাইম প্রতিদিন,সালাহ উদ্দিন সুমন,নোয়াখালী: নোয়াখালীতে পুলিশের পরিচয়ে এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা করা হলেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ স্বজনদের।
ঘটনার পর মামলা হলেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ স্বজনদের। বরং কিশোরীর বাড়িতে ককটেল হামলা করা হয়েছে। এছাড়া পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
কিশোরীর মা বলেন, ৭ ফেব্রুয়ারি আমার মেয়ে তার মামার বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেদিন রাতে ওই বাড়ি থেকে নোয়াখলা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান শরীফ, কামাল ও জামালসহ ৬ জন পুলিশের পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে বাড়ির পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। রাতেই চাটখিল থানায় ঘটনাটি অবহিত করে মামলা করতে চাইলে পুলিশ প্রথমে মামলা নেয়নি।
কিশোরীর মা বলেন,পরে নোয়াখলা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মজিবুর রহমান শরীফের নাম বাদ দিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি দুজনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত চারজনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা নেয় পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, ১০/১১ দিন পার হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি। মামলা করার কারণে মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে আমাদের বাড়িতে ৫-৬টি ককটেলের বিস্ফোরণও ঘটানো হয়। পরে পুলিশকে জানালে রাতে তারা ঘটনাস্থলে আসে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
কিশোরীর মায়ের ভাষ্য, মামলায় নোয়াখলা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মজিবুর রহমান শরীফকে আসামি করি। তখন আমার ছেলে-মেয়ে ও আমাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। তাই আমরা ভয়ে মজিবুর রহমান শরীফের নাম বাদ দিয়ে মামলা করেছি।
কিশোরীর বাবার ভাষ্য, ধর্ষণের ঘটনা কারও কাছে বললে তাদের সবাইকে মেরে ফেলবে এবং তার মেয়েকে জবাই করবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল আনোয়ার বলেন, ১০ ফেব্রুয়ারি কিশোরীর মা বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত আরও চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছে। মামলা দায়েরের পর নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। তিনি আরও বলেন, মেয়েটি যাদের নাম বলেছে, তদন্তসাপেক্ষে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
চাটখিল উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও চাটখিল পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদউল্লাহ পাঠোয়ারী বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তি যেই হোক, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দিন আজিম জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন





