বউকে খুশি করতে পুরুষরা যে জিনিসটি বানিয়ে এক চামচ করে খাবেন! জিরা একটি পরিচিত মসলার নাম, যা আমাদের প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার হয়। খাবার সুস্বাদু করা ছাড়াও জিরার আরও অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে,
জিরার এন্টিঅক্সিডেন্ট মানব দেহের মেটাবলিজমের হার বাড়ায়। এটি আমাদের দেহের ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করে। পেটের মেদ কমাতে এটি খুবই কার্যকর। জিরা খাবার হজম প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাকস্থলীতে গ্যাস জমতে বাধা দেয়।
এটি শরীরে খারাপ চর্বি ও কলেস্টোরল তৈরিতে বাধা দেয়। জিরা শরীরের মেদ কমায় ও হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় এছাড়া জিরাকে জাদুকরি মসলাও বলা হয়। কারণ মাত্র এক চামুচ জিরা প্রতিদিন খেলে আপনার ওজন ১৫ কেজি কমে যেতে পারে! কী বিশ্বাস হচ্ছে না!তাহলে আসুন জেনে নিই, জাদুকরি জিরার মিশ্রণ কীভাবে আপনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।
উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে এর মধ্যে অল্প জিরার গুঁড়া, সামান্য লেবুর রস কুচানো আদা ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। রাতে অন্যকিছু ভারী খাবার বাদ দিয়ে এই সালাদ খান।
প্রথম দর্শনের পরেই মুশফিকুর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, নিজের মনের মানুষকে তিনি পেয়ে গিয়েছেন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডোনার প্রেমকাহিনি বঙ্গ ক্রিকেট প্রেমীদের মুখস্থ। কিন্তু জাতীয় দলের অধিনায়কের প্রেম কাহিনিও নিছক কম আকর্ষণীয় নয়। বরং এই কাহিনির সঙ্গে ফিল্মি গল্পের মিল খুঁজে পেতে পারেন।
দেখতে ছোটখাটো, কিন্তু ব্যাট হাতে মাঠে নেমে যে তিনি যথেষ্ট দাপট দেখাতে পারেন, হায়দরাবাদ টেস্টে ফের তা প্রমাণ করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। প্রথম ইনিংসে তাঁরই শতরানে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। মাঠের বাইরেও অবশ্য কম যান না বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার প্রেম কাহিনি জানলেই তা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
মুশফিকুরের স্ত্রী জন্নাতুলের আরও এক পরিচয়, তিনি বাংলাদেশেরই জাতীয় দলের ক্রিকেটার মেহমেদুল্লাহর শ্যালিকা। কিন্তু কীভাবে আলাপ হল মুশফিকুর এবং জন্নাতুলের?
২০১১ সালের জুন মাসে মেহমেদুল্লাহর বিয়েতে নিমন্ত্রিত ছিলেন মুশফিকুর। সেখানেই প্রথমবার জন্নাতুল্লার সঙ্গে চোখাচোখি হয় মুশফিকুরের। তারপরেই প্রেম। যাকে বলে ‘লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট।’
প্রথম দর্শনের পরেই মুশফিকুর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, নিজের মনের মানুষকে তিনি পেয়ে গিয়েছেন। অনেক চেষ্টা করে ওই বিয়েতেই জন্নাতুল্লার সঙ্গে আলাপটাও সেরে ফেলেন মুশফিকুর। আসলে জন্নাতুল্লারও মুশফিকুরকে মনে ধরেছিল। তাই প্রথম আলাপের পরেই দু’জনের ডেটিং শুরু হয়ে যায়।
প্রায় দু’বছর প্রেম করার পরে ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে দু’জনের বাগদান হয়। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিয়ে করেন মুশফিকুর এবং জন্নাতুল্লা। বিয়ের সময় জন্নাতুল্লা ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিলেন।





