সাতক্ষীরায় দশম শ্রেণীর এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এসময় আহত অপর এক ছাত্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সকালে এ ঘটনায় মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

এরইমধ্যে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। সহপাঠীদের অভিযোগ, প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে সাকিবকে পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে মাহফিলে বাকবিতণ্ডার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা পুলিশের।

ছেলেকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মা। সাকিবের এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তার সহপাঠিরাও। ও যে চলে গেছে বিশ্বাস করতে পারছি না।’সাকিবের সহপাঠি বলেন, ‘সাকিব অনেক ভালো ছিলো। সাকিব ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো। মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলতো।

স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের বকচরা মাদ্রাসায় আয়োজিত মাহফিল থেকে ফেরার পথে সাকিব ও তার সহপাঠি রাশেদকে লাঠি দিয়ে পেটায় র্দুবৃত্তরা।পরে স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিলে, সাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সহপাঠিদের অভিযোগ, প্রেমের সম্পর্ককে ঘিরে সাকিবকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।সহপাঠিরা বলেন, ‘মাহিয়া নামের একটা মেয়ের সঙ্গে সাকিবের সম্পর্ক ছিলো। সেখানে নাকি মাহিয়ার ভাই উপস্থিত ছিলো।’

তবে পুলিশ বলছে, মাহফিলে কামালনগর কলোনির কিছু ছেলের সাথে বাকবিতণ্ডার জের ধরেই সাকিবকে হত্যা করা হয়েছে।এঘটনায় সদর থানায় নিহতের বাবা কনস্টেবল নজরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন। এর পরপরই অভিযান চালিয়ে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ আসামিদের ধরতে আমরা সক্ষম হয়েছি। ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।নিহত সাকিব হোসেন পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজের ১০ শ্রেণির ছাত্র।