মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশীসহ প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে আসছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
গাল্ফ নিউজ, সৌদি গেজেট, আরব নিউজের সংবাদ বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আয়েশী জীবনযাপনে অভ্যস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোকে কিছুটা হলেও অর্থনীতির রাশ টেনে ধরতে হয় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম পড়ে যাওয়ায়।
কয়েক বছরের এ পতনে দেশগুলোতে বাজেট ঘাটতি ও অর্থনৈতিক মন্থরতা তৈরি হওয়ায় বেড়েছে বেকারত্ব। ফলে বৈচিত্র্যায়নের মাধ্যমে অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেশগুলো। যার বড় চাপটি এসে পড়ে দেশগুলোতে জীবিকা নির্বাহ করা লাখ লাখ প্রবাসী শ্রমিকের ওপর।
বাংলাদেশীসহ সবচেয়ে বেশি প্রবাসী রয়েছে বর্তমানে সৌদি আরবে; কিন্তু এ দেশটির পাশাপাশি ওমান এবং কুয়েত সম্প্রতি তাদের বিভিন্ন খাতে বিদেশী শ্রমিক নিয়োগ সীমিত করেছে। বাকি দেশগুলোও সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে স্থানীয় নিয়োগ উৎসাহিত করছে।
এ ছাড়া লিবিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও সিরিয়া এখন যুদ্ধবিধ্বস্ত। অথচ এ দেশগুলোও একসময় বিদেশী শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের একটি বড় উৎস ছিল।সৌদি আরবের বিভিন্ন খাতে বর্তমানে ১০ লাখ বাংলাদেশীসহ এক কোটি ৭৯ লাখ প্রবাসী কাজ করছে।
অর্থনীতি শক্তিশালী করতে গত বছর ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করে দেশটি। এতে বলা হয়, সৌদি আরবে বর্তমানে খুচরা খাতে কর্মীর সংখ্যা ১৫ লাখ। এর মধ্যে মাত্র তিন লাখ সৌদি নাগরিক। আগামী ২০২০ সাল নাগাদ এ খাতে স্থানীয় কর্মী করা হবে ১০ লাখ।





