বিমান যোগে কুয়ালালামপুর থেকে মালয়েশিয়ার সাবা সারাওয়াক প্রদেশের রাজধানী কুচিং এর কয়েকটি অঞ্চলে কনস্যুলার সেবা প্রদান শুরু করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
জানা গেছে, কুয়ালালামপুর থেকে পূর্ব মালয়েশিয়ার সাবা সারাওয়াকে যাতায়াতের একমাত্র বাহন বিমান। সেখানে বর্তমানে বিভিন্ন কলকারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং প্লান্টেশনে কর্মরত আছেন কয়েক হাজার বাংলাদেশী শ্রমিক। তাদের সুবিধার্থে হাইকমিশন এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এদিকে, এই সুবিধা পেয়ে গত দুই দিনে সুফল ভোগ করেছেন প্রায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশী শ্রমিক।
এই কনস্যুলার সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সেখানে নিয়োজিত আছেন পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মো. মশিউর রহমান তালুকদার।
তিনি জানান, সাবা সারাওয়াক থেকে কুয়ালালামপুরে বিমানে ১ ঘন্টা ১০ মিনিটের দূরত্ব। সেখান থেকে একজন শ্রমিক হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে যদি কনস্যুলার সেবার জন্য কুয়ালালামপুরে আসেন তাহলে তার বেতনের একটি বড় অংশই খরচ হয়ে যাবে।
গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ হাইকমিশনের রাষ্ট্রদূত মুহ. শহীদুল ইসলাম সারাওয়াক প্রদেশ সফর করে কনস্যুলার সেবা প্রদানের উদ্যোগ নেন। তারই ধারাবিহকতায় রাজধানী কুচিং এর বাতু তিগা, বেনতুন ও মিরি এলাকায় কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
পাসপোর্ট আবেদন ও বিতরণের সহযোগিতায় আছেন পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার সহকারী কর্মকর্তা সুশান্ত সরকার।
উল্লেখ্য, আগে কুয়ালালামপুর গিয়ে পাসপোর্ট করতে হতো সারাওয়াকে থাকা বাংলাদেশীদের। এতে কাজ ছেড়ে সেখানে গিয়ে পাসপোর্ট আনতে বিপাকে পড়তেন তারা। তাছাড়া যাতায়াতের খরচও পড়তো বেশি।
কিন্তু এই কনস্যুলার সেবার মাধ্যমে এখন সারাওয়াকেই পাসপোর্ট সংক্রান্ত সেবা পাওয়া যাবে।





