শ্রীলঙ্কাকে ২২২ রানে বেধে রাখলেও বাংলাদেশ যে খুব বেশি দুর যেতে পারবে না সেটা শুরুতেই বুঝিয়ে দিলেন ওপেনার তামিম ইকবাল।

বাংলাদেশ দলের এই অভিজ্ঞ ওপেনার ইনিংসের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে বসলেন পেসার সুরঙ্গা লাকমালের হাতে। দুর্ভাগ্য তামিমের, দুর্ভাগ্য বাংলাদেশেরও। দলীয় মাত্র ৪ রানের মাথায় পতন ঘটলো বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের।

তামিমেরটা না হয় দুর্ভাগ্য হিসেবে মেনে নেয়া গেলো; কিন্তু মুমিনুলেরটা কিভাবে মেনে নেয়া যায়! অতি আত্মবিশ্বাস কোথায় নিয়ে যেতে পারে, সেটাই দেখালেন মুমিনুল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই খামখেয়ালিপনা করতে গিয়েই বলতে গেলে রানআউট হয়ে গেলেন চট্টগ্রাম টেস্টের নায়ক এবং টেস্টে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক।

কুশল পেরেরাকে মিড-অফে খেলেই এক রান নিতে গেলেন ইমরুল কায়েস। দৌড়ে আসলেন মুমিনুলও; কিন্তু ক্রিজে পৌঁছে গেছেন মনে করে কিংবা কাছাকাছি হওয়ার পর রানআউট থেকে বেঁচে গেছেন মনে করে তিনি কিছুটা স্লো হয়ে যান। এরই মধ্যে বল চলে আসল। মুমিনুল ব্যাট ক্রিজে ছোঁয়ানোর আগেই উইকেট ভেঙে দিলেন উইকেটরক্ষক ডিকভেলা। ৪ রানে পড়লো দ্বিতীয় উইকেট। এর পর বোল্ডহয়ে ফিরে গেছেন মুশফিকও।

এ রিপোর্ট লেখার সময় বাংলাদেশের রান ১১ ওভারে ২০রান। ইমরুল কায়েস (১৭) এবং লিটন দাস (২) নিেয় রয়েছেন উইকেটে।

এর আগে টস জিতে প্রথমেই ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের দুই স্পিনার আবদুর রাজ্জাক আর তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে ২২২ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। রাজ্জাক এবং তাইজুল দু’জনই নেন ৪টি করে উইকেট। বাকি ২টি নেন মোস্তাফিজুর রহমান। কিুশল মেন্ডিস করেন সর্বোচ্চ ৬৮ রান এবং ৫৬ রান করেন রোশেন সিলভা।