কাতার-আরব আমিরাত সংকটকে কেন্দ্র করে প্রকৃত লাভবান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান। উভয় দেশের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টির পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে ভাল অবস্থানে থাকলেও তাদের কোন স্বার্থ হাছিল হচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস মেটিস বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গাল্ফ অঞ্চলের কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু কাতারের উপর মার্কিন পন্থী’ আরব জোটের নিষেধাজ্ঞার কারণে এ অঞ্চলে আমাদের ক্ষমতা কমছে এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোয় ইরানের প্রভাব বাড়ছে ও সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে’।

গত ২১ ডিসেম্বর ও ৩ জানুয়ারি দুবাইয়ের দুটি বিমান কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় তারা আরব আমিরাতের দুটি বিমান আটক করা পর উভয় দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃস্টি হয় ও যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্ম দেয়।

সৌদি, আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশরের সমন্বয়ে গঠিত আরব জোট কাতারের উপর সন্ত্রাসীদের মদদ দান ও আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানকে সমর্থন দেয়ার অভিযোগে পরিবহন খাতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সাত মাস পর এ ঘটনাটি ঘটে।

উল্লেখ্য, গাল্ফ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর মোতায়েন রয়েছে এবং কাতারকে কেন্দ্র করেই যুক্তরাষ্ট্র ইসলামিক স্টেট সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করে তাই এ অঞ্চল তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।