গতকাল 4 জানুয়ারি কতা তিংঘি, জহুর বারু এলাকায় অপারেসি দিয়ে 43 জন অবৈধ অভিবাসী আটক করে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন পুলিশ।সবাইকে সাবধান থাকার অনুরোধ করা হলো।
মালয়েশিয়ায় অবৈধ বিদেশি শ্রমিক বৈধকরণ প্রক্রিয়া নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির ইমিগ্রেশন ও বাংলাদেশ দূতাবাস। কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে এমনটি আলোচনা হয়। তবে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের বড় কর্তারা এই প্রথম বাংলাদেশ দূতাবাসে এসে জরুরি বৈঠক করলেন বলে জানালেন দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর সায়েদুল ইসলাম।
বুধবার মালয়েশিয়া সময় সকাল ১০ টায় দূতাবাসের কনফারেন্স রুমে শ্রম কাউন্সেলরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে নেতৃত্ব দেন মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ফরেন এফেয়ার্স ডিভিশনের প্রধান দাতু খাইরিল, ডাইরেক্টর ডিটেনশন সালেহা, ডাইরেক্টর ইনফোর্সমেন্ট সারভানান। দূতাবাসের কমার্শিয়াল উইং প্রধান ধনঞ্জয় কুমার দাস, শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো: হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল, শ্রম শাখার ২য় সচিব মো: ফরিদ আহমদ ও ২য় সচিব (রাজনৈতিক) তাহমিনা ইয়াছমিন। এছাড়া মাই- ইজি, বক্তিমেঘা ও ইমান কোম্পানির প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশন বিভাগের হলরুমে দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলরের নেতৃত্বে ইমিগ্রেশনের বড় কর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।২০১৬ সালের ৩০ জুন থেকে শুরু হওয়া রি-হিয়ারিংয়ের আওতায় তিনটি ক্রাইটেরিয়ার মাধ্যমে বিদেশি শ্রমিকদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে চলতি মাসের ৩১ ডিসেম্বর।
দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের কড়া নজর দারিতে শেষ সময়ে মাই- ইজি , বক্তিমেঘা ও ইমান কোম্পানীর এ তিনটি ভেন্ডরে নিবন্ধনের কাজ নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ ও বাংলাদেশ দূতাবাস।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে শ্রম কাউন্সেলর সায়েদুল ইসলাম দেশটিতে কর্মরত ইলেক্ট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন সাংবাদিকদের জানান, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত





