সাধারণ মানুষের কাছে পেটের দায় বড় দায়। আর রাজনীতিবিদদের কাছে বড় দায় হচ্ছে ভোট। কলকাতার দক্ষিণ কলকাতার মেটিয়াবুরুজের গার্ডেনরিচ এলাকার কাচ্চি মোড়। সমগ্র এলাকাটিই সংখ্যালঘু মুসলিম অধ্যুষিত। সেই এলাকাতেই এক দলীয় সভায় নিজেকে সংখ্যালঘু মানুষের পৃষ্ঠপোষক বলে দাবি করলেন জয়।

বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি কোরান পড়েছি। আপনাদের ইসলামকে খুব শ্রদ্ধা করি। একইসঙ্গে ইসলাম ধর্মের গুণগান গেয়ে তিনি আরও বলেন,

আমি জানি যদি সঠিকভাবে ইসলাম ধর্ম কেউ পালন করে থাকে তাহলে সেই ব্যক্তি ৯৫ বছর অবধি কোনও রোগ ছাড়া বাঁচতে পারে।
নিজেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের কাছের লোক প্রমাণ করার জন্য তিনি বলেন, আমি পার্ক সার্কাসের এক সংখ্যালঘু পাড়ায় বড় হয়েছি। আমার দেহরক্ষী, গাড়ির চালক সহ ম্যানেজার সকলেই মুসলিম। আমি তাঁদের সঙ্গেই থাকি এবং খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিশেষ করে মুসলিমদের উন্নতির জন্য রাজ্যের পূর্বতন তিন ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সরকার কিছুই করেনি বলে দাবি করেছেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেস শুধু ভোট ব্যাংকের স্বার্থেই মুসলিমদের ব্যবহার করেছে বলে দাবি করেছেন জয়। সিপিএম এবং তৃণমূলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, সিপিএমের দেখানো পথেই হাঁটছে তৃণমূল। তারা সংখ্যালঘু অল্পবয়সী ছেলেদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে বলেছে, ‘যাও গিয়ে ভোট লুঠ কর, সন্ত্রাস কর। ‘

দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের অনেক উন্নতি হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “রাজ্যের জেলগুলিতে শতকরা ৮০ ভাগ কয়েদী মুসলিম। বীরভূমে দেখেছি অনেক মুসলিম ছেলে নেতাদের কথায় সন্ত্রাস করতে গিয়ে কবরে চলে গিয়েছে। ”