চতুর্থ দিনে উইকেটে ধরেছে বেশ ক’টি ফাঁটল। সেই ফাঁটলে বল পড়ে পাচ্ছে টার্ন। তাতেই স্বাভাবিক ব্যাটিং অসম্ভব হয়ে পড়েছে ব্যাটসম্যানদের। ফ্লাট উইকেটে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে স্পিনাররা।

বাংলাদেশের ২ স্পিনার তাইজুল (৪/২১৯), মিরাজ (৩/১৭৪) এদিন ঘুরিয়েছেন বল। দিনের শেষ ঘন্টায় শ্রীলংকার তিন স্পিনার হেরাথ (১/২২),পেরেরা (১/২০),সান্দাকান ( ১/৩) ঘুরিয়েছেন বল। বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংসে (৭১৩/৯ ডি.) ২০০ রানের লিড জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে শ্রীলংকাকে।

উইকেট কিপার ডিকভেলা তাই দলের পরীক্ষিত স্পিনারদের দিকে তাকিয়ে-‘আমাদের এই টেস্ট জেতার দারুন সুযোগ আছে। উইকেটটা দারুন। স্ট্যাম্পের বাইরে ফাঁটলে বল বলে ঘুরছে। আমরা ভাল একটি দিন আশা করছি। আমরা বোলিং লেন্থ লাইন মেনে ঠিক ঠাক জায়গায় করছি। ’

প্রথম ইনিংসে ২০০ রানে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানরা ম্যাচ বাঁচাতে ডিফেন্সিভ ব্যাটিংয়ে মনোনিবেশ করে নিজেদের বিপদ ডেকে আনছেন বলে মনে করছেন ডিকভেলা।

চতুর্থ দিনের শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৮১/৩, তাতেই জয়ের সম্ভাবনা উকি দিচ্ছে,এমনটাই মনে করছেন ডিকভেলা-‘উইকেট বাঁচাতে তারা ( বাংলাদেশ) নেগেটিভ ব্যাটিং করছে। এভাবে এই উইকেটে ব্যাট করা ঠিক হচ্ছে না তাদের। বল ফাঁটলে পড়ে ঘুরছে। তাই ইতিবাচক অ্যাপ্রোচ করাটাই এই উইকেটে সেরা উপায়।’

চতুর্থ দিনে রোশন সিলভার সেঞ্চুরির প্রশংসা করেছেন ডিকভেলা-‘রোশন সিলভা অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। শ্রীলংকায় প্রচুর রান করেছে। শ্রীলংকা ‘ এ’ দলের হয়ে খেলেছে সে। খেলেছে কাউন্টি ক্রিকেট। সে এখন দেশের জন্য দারুন এক ক্রিকেটার। ’

এই উইকেটে ব্যাটিংয়ে আমি শতভাগ সন্তুস্ট। ড্রেসিং রুমে বসে টিমমেটদের ব্যাটিং ২ দিন দারুন উপভোগ করেছি। ইনিংসের শেষ দিকে কিছু রান করতে পেরে আমি খুশি। কুশল মেন্ডিজ এবং ধনঞ্জয়ের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ অসাধারন ছিল।

আরো একবার সেঞ্চুরি মিস করলাম। অতীতেও বেশ ক’টি সেঞ্চুরি মিস করেছি। সেই ইনিংসগুলোকে সেঞ্চুরিতে পরিনত করতে পারিনি। আমার শক্তি হলো সুইপ এবং রিভার্স সুইপ। ফাটল ধরেছে যে সব জায়গায় সেখানে বল পিচ করছে। তারপরও আমি আমার ব্যাটিং নিয়ে সন্তুস্ট।