কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আলে সানি বলেছেন, একমাত্র ইরানের মাধ্যমেই তাদের ওষুধ ও খাদ্য চাহিদা পূরণ হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন সংস্থা ‘আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ’-এ তিনি তিনি এ কথা বলেন।

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব ও তার মিত্র দেশগুলো অবরোধ আরোপ করার পর থেকেই ইরানের মাধ্যমে ওষুধ ও খাদ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পারস্য উপসগারীয় সহযোগিতা পরিষদ বা পিজিসিসি ও আমেরিকার আসন্ন যৌথ বৈঠকে কাতার অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত রয়েছে।

কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালেদ বিন মোহাম্মাদ আল আতিয়া বলেছেন, কাতারের ওপর সৌদি আরব ও তার মিত্র দেশগুলো যে অবরোধ আরোপ করেছে তা চরম নিষ্ঠুরতা। অবরোধ আরোপ করার পর ইরানের আকাশই প্রথম কাতারের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের সুযোগ করে দিয়েছিল।

২০১৭ সালের ৫ জুন সৌদি আরব, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং স্থল, জল ও আকাশ পথে অবরোধ আরোপ করে। ১৩ দফা দাবি মানলেই কেবল কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হবে বলে জানিয়েছে ওই চার দেশ।

তাদের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, ইরান ও লেবাননের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে এবং আল-জাজিরা টিভি চ্যানেল ও তুর্কি সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দিতে হবে। কিন্তু কাতার সরকার তাদের এসব শর্ত মানতে অস্বীকার করেছে।