হলুদ দাঁতের কারণে সামাজিক মেলামেশায় বিব্রত বোধ করেন অনেকেই। যাঁদের দাঁতের রং হলুদ তাঁরা অনেক সময়েই হীনমন্যতায় ভোগেন। ভাঁটা পড়ে তাঁদের আত্মবিশ্বাসেও। কিন্তু কীভাবে সাদা করে তোলা যায় হলুদ দাঁতকে?

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাহায্য নেওয়াই যায়। কিন্তু সেই পথে দাঁতের হলুদ ভাব দূর হতে যেমন সময় লাগে, তেমনই সম্ভাবনা থাকে মোটা অঙ্কের টাকা খরচেরও। অ্যাকাডেমি অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ, টরোন্টো-র গবেষকরা তাই হদিশ দিচ্ছেন এমন এক ঘরোয়া কৌশলের যার দ্বারা অতি সহজে নিমেষের মধ্যে সাদা করে তোলা যাবে হলুদ দাঁতকে। জেনে নিন কী করতে হবে। একটি গ্লাসের এক চতুর্থাংশ ভর্তি করুন ভিনিগার দিয়ে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন। বাকিটুকু ভরে নিন পানীয় জল দিয়ে। এবার ওই মিশ্রণ দিয়ে মিনিট খানেক কুলকুচি করুন। তারপর স্বাভাবিক ভাবে টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। দেখবেন দাঁতের হলুদ ভাব দূর হয়ে গিয়েছে অনেকটাই। পরপর কয়েকদিন এই কৌশলের প্রয়োগে অবিশ্বাস্য ফল পাবেন।

কিন্তু এই মিশ্রণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে— প্রথমত, কোনওভাবেই জল না মিশিয়ে সরাসরি ভিনিগার মুখে দেবেন না। দ্বিতীয়ত, ব্যবহারের আগে ভিনিগারের বোতলটি অবশ্যই ঝাঁকিয়ে নেবেন। তৃতীয়ত, দিনে একবারের বেশি এই মিশ্রণ প্রয়োগ না করাই ভাল। কারণ ভিনিগারের অতিরিক্ত প্রয়োগ আপনার দাঁতের এনামেলের ক্ষতিসাধন করে।

স্ত্রীকে বিছানায় দ্রুত উত্তেজিত করার কৌশলঃ বিষয়টি অনেকের কাছেই অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। মনে হতে পারে যে এই ধরনের প্রশ্নের আসলে কোনো আবশ্যকতা নেই। সত্যি কথা বলতে আমরা অনেকেই জানি না যে দাম্পত্য জীবনে ভাঙ্গন তৈরি করতে অনেকটাই দায়ী এই শারীরিক মিলনে অতৃপ্ততা। স্বামী স্ত্রী ইভয়েই যদি শারীরিক মিলনে অতৃপ্ত থাকেন তাহলে সংসারে সুখ বিষয়টি ধীরে ধীরে নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। শারীরিক মিলনে পুরুষদের যেমন তৃপ্তির কিছুটা বিষয় রয়েছে তেমনি নারীদের তৃপ্তির বিষয়টিও অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। এমন অনেক শারীরিক মিলনে দেখা যায় নারীদের উত্তেজনার মাত্রা অনেক কম বা শিথিল অর্থাৎ অনেক দেরিতে তারা উত্তেজিত হয়ে থাকেন। এর কারণ অন্বেষণ করে দেখা যায় যে পুরুষদের কিছু অপারগতা এর জন্য দায়ী। যদিও সাধারণভাবে দেখা যায় যে যৌন মিলনে নারীদের উত্তেজনাটা পুরুষের মত ততটা তাড়াতাড়ি আসে না। তাদেরকে নানা কৌশলের মাধ্যমে উত্তেজিত করে নিতে হয়। তাই যে পুরুষ যতো বেশি ঐ সকল বিষয়ে পারদর্শী তারা তত দ্রুত নারীদের যৌন মিলনের জন্য উত্তেজিত করে তুলতে পারেন। এটাকে একটা আর্টও বলা যেতে পারে। আসুন এই বিষয়ে কিছু কৌশল সম্পর্কে জেনে নিই।

নারীকে দ্রুত উত্তেজিত করার কিছু কৌশল :

– বেশির ভাগ নারী মিলনপুর্ব সিঙারে সরাসরি যৌন মিলনের চেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকেন। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন। এটা আপনি এবং আপনার পার্টনার দু’জনের জন্যই অধিক সুখকর।
নারীকে যৌন উত্তেজনায় উত্তেজিত করার চারটি গোপন সুত্র – শারীরিক মিলনকালে অথবা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভুল নয়। সঙ্গীর উত্তেজক কর্মকান্ডের সাথে আপনার কল্পনা মিশিয়ে এক সুখকর আবেশে জড়াতে পারেন। কল্পনার রাজ্যে সব পুরুষ রাজা আর তার সঙ্গী রাণীর আসনে থাকে। – আমাদের দেশে এখনো সেক্স টয় বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ। তাই নারীকে উত্তেজিত করার জন্য ভাইব্রেটর এর বিকল্প আপনার মধ্যমা আঙুলী দিয়ে তার যোনীর ভিতর জি-স্পট (যৌনাঙ্গের কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কোন অভ্যাস যেন স্থায়ী না হয়ে যায়। – সরাসরি যৌনমিলনের আগে কিছুটা সময় নিয়ে দুজন দুজনকে ভালোবাসুন। আবেগে আপ্লুত হয়ে আদর করুন। আপনার সঙ্গীর আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে পেনিট্রেশানের আগে আরো কিছু সুখ আদান প্রদান করুন। দীর্ঘসময় আদর আদান প্রদানের মাধ্যমে নারী সঙ্গিীটিকে উত্তেজিত করুন। – বেশির ভাগ নারী মিলনপুর্ব সিঙারে সরাসরি যৌন মিলনের চেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকেন। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন। এটা আপনি এবং আপনার পার্টনার দু’জনের জন্যই অধিক সুখকর।

সপ্তাহে কতবার সেক্স করা উচিত? রোজ, একদিন অন্তর নাকি শুধুমাত্র সপ্তাহ শেষে? জেনে নিন ডাক্তারী পরামর্শ
সপ্তাহে কতবার সেক্স করা উচিত? রোজ, একদিন অন্তর নাকি শুধুমাত্র সপ্তাহ শেষে? সম্প্রতি আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজি তে প্রকাশ হয়েছে একটি আর্টিকেল । সেখান থেকে জানা যাচ্ছে যে সব পুরুষেরা সপ্তাহে দুবার সেক্স করেছেন তাঁদের হার্ট যারা একবারও সেক্স করেন নি তাদের থেকে অনেকটা ভালো ।তাই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ রুখতে পুরুষদের সক্রিয় সেক্স লাইফ থাকা উচিত ।। আর আমরা সবাই জানি উচ্চ রক্তচাপ হার্টের জন্য কতটা ভয়ঙ্কর । এছাড়াও স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভবনা অনেকটা বেড়ে যায় । আর আমরা সবাই জানি সেক্সের থেকে ভালো স্ট্রেসবাস্টার আর কিছুই হতে পারে না ।এছাড়াও নিয়মিত যৌন সম্ভোগ করলে আপনার ওজনও কমবে । এছাড়াও সেক্সের পর ঘুমও ভালো হয় । ফলে আপনার হার্ট ভালো থাকবে

সন্ধায় যে খাবার খেলে অনেক্ষন সহবাস করতে পারবেন আপনি দেখুন সমস্যাঃ আমি বাসর রাতে মিলনের সময় আমার স্বামীর বীর্য পান করে ফেলি। কিন্তু আমার এখন অনেক ভয় করছে। কারন আমি এতো তারাতারি বাচ্চা নিব না।
এছাড়াও বীর্য খাওয়াতে আমার কোন রোগ বালাই হবে কিনা? উত্তর দিলে অনেক খুশি হবো।

সমাধানঃ অনেকেই এরকম প্রশ্ন করেন যে মেয়েরা যদি ছেলেদের বীর্য পান করে তাহলে কি গর্ভবতী হওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে? অথবা বীর্য পান করলে কোনো প্রকার ক্ষতি হয় কি ? আরো নানান প্রশ্ন। আসুন জেনে নেই এ সংক্রান্ত কিছু তথ্যাদি যা হয়ত আমরা অনেকেই জানি না।কোনো মেয়ে যদি কোনো পুরুষের বীর্য পান করে তাহলে তার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যার বীর্য পান করা হচ্ছে যদি ঐ পুরুষের কোন যৌন রোগ থাকে বা সে যদি অপরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করে থাকে সেক্ষেত্রে বিভিন্ন যৌনরোগ এমন কি মুখে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। সার্বিক বিবেচনায় যৌনরোগ বা ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার চেয়ে তা প্রতিরোধ করাই বিজ্ঞতার পরিচায়ক। ধর্মীয় বিধি নিষেধে এরকম কাজ এবং ওরাল সেক্স করতে নিরুতসাহিতকরা হয়েছে। একে অস্বাভাবিক ও অনুচিত বলেছেন প্রায় সবাই। যদিও ডাক্তারদের ভেতরে এ নিয়ে মতভেদ আছে। খুব কম সংখ্যক ডাক্তার বলেন যে এতে কোন ক্ষতি নেই যেহেতু বীর্যে মূলত প্রোটিন থাকে কন্তু এই পরিমান প্রোটিনে মানুষের শরীরের কোন উপকার হয় না। কিন্তু পুরু বিষয়টি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব হিসেবে আমাদের নিজেদেরই বুঝে নিতে হবে।

কারণ, আজকাল পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায় বিশ্বের নামী দামী সিনেমা তারকারা এসব করতে গিয়ে একসময় মুখের নানা প্রকার মারাত্মক সব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। অন্তত তাদের থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। বীর্য এক প্রকার নাপাক পানি। আর নাপাক জিনিস হারাম এর অন্তর্ভুক্ত, তাই খাওয়া কখনোই উচিত হবে না। খেতে চাইলে সব খাওয়া যায়। এটা খাওয়া রুচিহীনের পরিচায়ক। এছাড়া এটা অবশ্যই এড়িয়ে যাওয়া কর্তব্য। প্রথমত, এটা বিকৃত যৌনাচার। দ্বিতীয়ত, এর মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে এবং দ্রুত STD বা যৌন-সংক্রান্ত জীবাণু ছড়ায়। কারণ, সরাসরি পেটে যাচ্ছে। তারপর সেখান থেকে সরাসরি রক্তে। পশ্চিমা বা ঐরকম দেশে তৈরী এরকম যেসব তথ্য দেখা যায় তার সবই ভুয়া এবং নিছক ব্যবসাকেন্দ্রিক। লেজকাটা শেয়াল চায় যাদের লেজ আছে তাদেরটাও যেন কাটা পড়ে। ধর্মীয় পণ্ডিতগণ বলেন হারাম।