পদ্মাসেতুর দ্বিতীয় স্প্যান ৭বি (সুপার স্ট্রাকচার) ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারের উপর বসানে হয়েছে। দ্বিতীয় স্প্যানটি বসানোর মাধ্যমে সেতুটি ৩০০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল থেকেই শুরু হয় স্প্যান বসানোর আনুষঙ্গিক আনুষ্ঠানিকতা। এর আগে স্প্যানটি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি অবস্থান করে। দুপুরের দিকে ধূসর রঙে রাঙানো ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি পিলার দুইটির লিফটিং ফ্রেম ও বেয়ারিংয়ের উপর বাসানো হয়। প্রথম স্প্যান বসানোর প্রায় চার মাস পর দ্বিতীয় স্প্যানটি স্থাপন করা হলো।
পদ্মা সেতুর প্রকৌশলীরা জানান, ৩৫ নং পিলার এলাকা থেকে ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার স্প্যানটি ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হয় ৩৮ ও ৩৯ নং পিলার এলাকায়। ৩৮ নং পিলারের সঙ্গে ৭বি স্প্যানটিকে স্থায়ী ওয়েল্ডিং করে দেওয়া হবে। এরইমধ্যে লোড বহনের জন্য লিফটিং ফ্রেম তৈরি করা হয়েছে। স্প্যানটি পিয়ারের ওপর রাখার পর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। সব কিছু মিলিয়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগবে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারের ওপর বসানো হয়। এরপর, বিভিন্ন সমস্যার কারণে আর কোনও স্প্যান বসানো সম্ভব হয়ে ওঠেনি। দ্বিতীয় স্প্যানটি বসানো হওয়ায় এখন সেতুর ৩০০ মিটার দৃশ্যমান হলো।





