ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল, কুশপুত্তলিকা দাহ ও সমাবেশ করেছে দলটির একাংশের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। জয়পুরহাট সদর ও কালাই উপজেলা শহরে রোববার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

গত শনিবার রাতে স্বাধীনতা বিরোধিতার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে এমন অভিযোগে জয়পুরহাট জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কালাই উপজেলা চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান, জেলার সদস্য ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস এবং শওকত হাবিব লজিককে বহিষ্কার করে জেলা কমিটি। এরপর আজ তাদের সমর্থকরা এমন ঘটনা ঘটায়।

জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় জয়পুরহাট জেলা শহরে আওয়ামী লীগের একটি অংশ বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল শেষে চলতি কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সাংসদ অ্যাডভোকেট সামছুল আলম দুদু এবং সাধারণ সম্পাদক এস.এম সোলায়মান আলীর কুশপুতুল দাহ করা হয়। এর আগে আজ বিকালে একই ঘটনার প্রতিবাদে কালাই উপজেলা শহরে ঝাড়ু মিছিল এবং সভাপতি-সম্পাদকের কুশপুত্তলিকা দাহ করে উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি অংশ।

জয়পুরহাট সদর ও কালাই শহরে বিক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল শেষে স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে। সেখানে জেলা সভাপতি ও সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন বিক্ষুব্ধরা।

জয়পুরহাটের প্রাণকেন্দ্র জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন, জয়পুরহাটের পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আক্কেলপুরের পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধূরী, জেলার স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এম মাসুদ রেজাসহ দলটির অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন নেতারা।

জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান টিটো বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কালাই উপজেলা চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান মিলন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পুনট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস ও মাত্রাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লজিক তালুকদারের পূর্বপুরুষ স্বাধীনতাবিরোধী। ফলে জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় তাদের বহিষ্কার করা হয়।