আট বছর আগের প্রেমের টানে ছয় বছর বয়সী মেয়ে সাদিয়া আফরিন ও স্বামীর সংসার রেখে পালিয়েছে এক প্রবাসীর স্ত্রী। ওই গৃহবধূর নাম চায়না খাতুন।
পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৮ বছর আগে সাতক্ষীরা সদরের বল্লী ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের আবু জাফর মোড়লের ছেলে হোসেন আলীর সঙ্গে দেবনগর গ্রামের আরিজুল ইসলামের মেয়ে চায়না খাতুনের বিয়ে হয়।
বিয়ের পর তাদের সংসার ভালোই চলছিল। হোসেন আলী বিদেশ যাওয়ার পর থেকে স্ত্রী চায়না থাতুন তার স্কুলপড়ুয়া প্রেমিকের সঙ্গে পুনরায় পরকীয়া প্রেমে জড়ায়। এরই সূত্র ধরে গত ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে শ্বশুরবাড়ি থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে ৮ বছর আগের স্কুলপ্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায় চায়না খাতুন।
প্রবাসী হোসেন আলীর মা হাসিনা বেগম জানান, ছেলে বিদেশ যাওয়ার পর বউমা সব সময় মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকতো। কার সঙ্গে কথা বলতো। এখন শুনছি আশপাশের লোকজনকে বলে গেছে, সে যখন স্কুলে পড়তো। তখন একটা ছেলে তাকে বিয়ে করতে চাইছে। তার সঙ্গে প্রেম ছিল। সেই ছেলের সঙ্গে বউমা চলে গেছে। গত ৮ দিন তার কোনো সন্ধান নেই। বউমার বাপের বাড়ি দেবনগরেও খোঁজ নিয়েছি। সেখানেও বউমা নেই।
প্রবাসী হোসেন আলীর চাচা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের বলেন, মোবাইলে যোগাযোগ করে বাড়ি থেকে চলে গেছে বউমা। যাওয়ার সময় নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ শাড়ি-কাপড় নিয়ে গেছে। গত সোমবার ঘটনাটি নিয়ে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহম্মেদ বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। প্রেমের সম্পর্কের কারণে ওই গৃহবধূ বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।





