রাজধানীর মহাখালী থেকে দুই সহযোগীসহ নব্য জেএমবি’র প্রতিষ্ঠাতাকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের স্পেশাল এ্যাকশন গ্রুপ (এসএজি) এর একাধিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ২০০টি ডেটোনেটর, ১টি ৯ এম এম পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হল- জেএমবির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুস সামাদ ওরফে আরিফ মামু ওরফে আশিক এবং তার দুই সহযোগী জিয়াদুল ইসলাম ও মোঃ আজিজুল ইসলাম ওরফে মেহেদী হাসান ওরফে শিশির।
সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, আসামী আব্দুস সামাদের বাড়ী দিনাজপুর । সে ২০০২ সালে দাওয়া হাদিস এবং ২০১১ সালে ফাজিল পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে। আসামি জিয়াদুল এবং আজিজুল ইসলামের বাড়ী চাপাইনবাবগঞ্জ। গ্রেফতারকৃত জিয়াদুল ৪র্থ শ্রেনী এবং আজিজুল ২০১৩ সালে দাখিল মাদ্রাসায় নবম শ্রেনী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে।
এ বিষয়ে আজ মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সিটিটিসি’র প্রধান মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, আসামি আব্দুস সামাদ ২০১০ সালে প্রথম জেএমবিতে যোগ দেয়। ২০১৪ সালে তামিম চৌধুরীর সহিত মিলিত হয়ে ‘জুনদ আল তাওহীদ আল খিলাফাহ’ নামক একটি দল গঠন করে। উক্ত দলের তামিম চৌধুরী প্রধান এবং আব্দুস সামাদ সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়।
তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত আব্দুস সামাদ দলের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান, সদস্য সংগ্রহ, অর্থ সংগ্রহ, বোমা তৈরী সহ নানাবিধ কাজে পারদর্শী ছিল। এছাড়াও সে অস্ত্র চালানো এবং গ্রেনেড বিস্ফোরণের বিষয়ে আব্দুস সামাদ নবীন সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করত। বিভিন্ন সময় নব্য জেএমবির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা গ্রেফতার এবং নিহত হওয়ার পর তার নেতৃত্বে নব্য জেএমবির কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হয়। কল্যাণপুর ও মিরপুর এলাকায় তামিম চৌধুরীসহ আসামি আব্দুস সামাদ অবস্থান করে প্রায় ডজন খানেক প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। হাতকাটা মাহফুজ গ্রেফতার হওয়ার পর সে দীর্ঘদিন পলাতক থেকে দলের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করত।
গ্রেফতারকৃত আসামি জিয়াদুল আব্দুস সামাদের শ্বশুর। এছাড়াও জিয়াদুল চাপাইনবাবগঞ্জ এলাকার সীমান্ত দিয়ে নব্য জেএমবির অস্ত্র, বিস্ফোরক, ডেটোনেটর গ্রহণ, সংরক্ষণ এবং বিতরণের দায়িত্ব পালন করত। গত দুই বছর যাবত আসামি শিশির পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জঙ্গি কার্যক্রমে যোগ দিয়ে জিহাদি প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান সিটিটিসি’র প্রধান।
এছাড়াও জিয়াদুল চাপাইনবাবগঞ্জ এলাকার সীমান্ত দিয়ে নব্য জেএমবির অস্ত্র, বিস্ফোরক, ডেটোনেটর গ্রহণ, সংরক্ষণ এবং বিতরণের দায়িত্ব পালন করত। গত দুই বছর যাবত আসামি শিশির পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জঙ্গি কার্যক্রমে যোগ দিয়ে জিহাদি প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান সিটিটিসি’র প্রধান।




